عَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ سَيِّدَا كُهُولِ أَهْلِ الْجَنَّةِ مِنَ الْأَوَّلِينَ وَالْآخِرِينَ إِلَّا النَّبِيين وَالْمُرْسلِينَ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আবূ বকর এবং ’উমার নবী-রাসূলগণ ছাড়া দুনিয়ার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল জান্নাতবাসী প্রৌঢ়দের সরদার হবেন। (তিরমিযী)
সহীহ: তিরমিযী ৩৬৬৪, ইবনু মাজাহ ৯৫, সিলসিলাতুস সহীহাহ ৮২৪, সহীহুল জামি ৫১, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ ৩১৯৪১, মুসনাদে বাযযার ৪৯০, মুসনাদে আহমাদ ৬০২, আবূ ইয়া’লা ৫৩৩, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৯০৪, আল মু’জামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ১৭৭১৭, আল মু’জামুস্ সগীর লিত্ব তবারানী ৯৭৬, আল মু’জামুল আওসাত্ব ১৩৪৮।
ব্যাখ্যা: (أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ سَيِّدَا كُهُولِ أَهْلِ الْجَنَّةِ) كُهُولِ শব্দটি (كُهُولِ) এর (جَمْعُ) যার অর্থ হলো যে ব্যক্তি ত্রিশ অথবা চৌত্রিশ থেকে একান্ন বছর বয়সী তাকে (كُهلً) বলে।
‘আলী ক্বারী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, জান্নাতের প্রবেশের সময় পরিণত বয়সী হবে এবং তাদের সরদার হবে। কেউ কেউ বলেন, মুসলিমদের মধ্যে যারা পরিণত বয়সে মারা যাবে। আর তারা জান্নাতী হবে এবং তাদের সরদার হবে।
অতঃপর জান্নাতে প্রবেশ করে তাদের সরদার হবেন আবূ বাকর ও ‘উমার (রাঃ)। কেননা সেখানে কোন (كُهل) থাকবে না, বরং প্রত্যেকেই ৩৩ বছর বয়সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। যেখানে তারা কুহলদের সরদার হবেন সেখানে যুবকদের সর্দার হওয়া আরো বেশি যুক্তিসঙ্গত। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)।
(مِنَ الْأَوَّلِينَ) এ প্রসঙ্গে কারী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, পূর্ববর্তী সকল জাতিসমূহের ওয়ালীদের তারা সরদার। তারা উভয়ে আসহাবে কাহফদের চেয়ে উত্তম। ফি‘আওনের যুগের মুমিনদের চেয়ে উত্তম এবং খিযির আলায়হিস (আঃ)-এর চেয়ে। যারা তাকে নবী না বলে ওয়ালী বলেন সে মতের উপর ভিত্তি করে।
(وَالْآخِرِينَ) তারা দু’জন এই উম্মতের সকল ওয়ালী, ‘আলিম ও শহীদগণের চেয়ে উত্তম। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)
