Wednesday, April 29, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeযুগ জিজ্ঞাসাপ্রশ্ন : একজন মহিলা হয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকতার চাকুরী করা কি জায়েয?

প্রশ্ন : একজন মহিলা হয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকতার চাকুরী করা কি জায়েয?

উত্তর : মহিলাদের জন্য বাড়ীতে অবস্থান করাই কল্যাণকর (সূরা আল-আহযাব : ৩৩)। ইমাম ইবনু কাছীর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘তোমরা বাড়ীতেই অবস্থান কর, বিনা প্রয়োজনে বাহিরে বের হয়ো না’ (তাফসীরে ইবনু কাছীর, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ৪০৯)। আল্লাহ তা‘আলা রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানিয়ে দিয়েছেন যে, ‘মহিলারা প্রয়োজনে বের হতে পারে’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫২৩৭; ছহীহ মুসলিম, হা/১৪৮৩)। উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যায় ইবনু বাত্তাল (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মহিলারা তাদের প্রয়োজনে বের হতে পারে। পিতা-মাতা, ভাই-বোন, মাহরাম কারো সাথে সাক্ষাতে যেতে পারে অথবা যেকোন বৈধ ও উপকারী প্রয়োজন মেটাতে যেতে পারে’ (শারহু ছহীহিল বুখারী, ৭ম খণ্ড, পৃ. ৩৬৪)। তাই একজন শিক্ষিকা হিসাবে নয়; একজন মুসলিম মহিলা হিসাবে তার কর্তব্য হল পর্দার ফরয বিধান মেনে চলা। পূর্ণাঙ্গ পর্দা সহ কোন মেয়ে তার দৈনন্দিন রুটিন মাফিক বৈধ কাজ করতে পারবে (ছহীহ মুসলিম, হা/১৪৮৩)। কিন্তু নারী-পুরুষ মিশ্রিত এমন প্রতিষ্ঠানে সরাসরি ছেলেদের সামনে যাওয়া একবারেই উচিত না। কারণ শিক্ষক-শিক্ষিকা একত্রে বসে সময় কাটানোও হারাম। কেননা পুরুষের জন্য নারীই সবচেয়ে বড় ফিতনা (ছহীহ বুখারী, হা/৫০৯৬)। তবে শুধু মেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয় হলে কোন সমস্যা নেই। আবার শিশুরা হলেও সমস্যা নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

3 × five =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য