Saturday, April 25, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরফিলিস্তিনিদের পক্ষে সুইস আদালতের ঐতিহাসিক রায়

ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সুইস আদালতের ঐতিহাসিক রায়

আট বছরের আইনি লড়াইয়ের পর একটি সুইস আদালত সিরিয়া থেকে আগত ফিলিস্তিনি শরনার্থীদের রাষ্ট্রহীন ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং তাদের সুরক্ষার অধিকার স্বীকার করেছে। যুগান্তকারী এই রায় শরণার্থী হিসেবে অন্য ফিলিস্তিনিদের অধিকারগুলো সংরক্ষণের দুয়ার খুলতে পারে। ইসরাইল কর্তৃক জাতিগত নির্মূলের শিকার হওয়ার পর থেকে যে অধিকারগুলো অস্বীকার করা হচ্ছে।

‘ফেডারেল সুপ্রিম কোর্ট অব সুইজারল্যান্ড’-এর রায়ের ফলে ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা জাতিসংঘের ‘রাষ্ট্রহীন ব্যক্তি’ বিষয়ক ১৯৫৪ সালের কনভেনশন অনুযায়ী সুরক্ষা অধিকার লাভ করে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক কারণে ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় সুরক্ষাহীনতায় ভোগেন। যদিও ‘দ্য ইউএন রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্ক এজেন্সি ফর প্যালেস্টাইন রিফুজিস ইন দ্য নিয়ার ইস্ট’ (ইউএনআরডাব্লিউএ)-এর মাধ্যমে ৬০ ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের মধ্যে বেশির ভাগের মৌলিক অধিকার স্বীকৃত, তবু সংস্থাটি ফিলিস্তিনিদের ফিরে যাওয়ার অধিকার সমর্থন করাকে আবশ্যক মনে করে না। অথচ ফিরে যাওয়া শরণার্থীদের একটি মৌলিক ও আইনগত অধিকার।


আশা করা হচ্ছে, সুইস আদালতের সিদ্ধান্ত ‘কনভেনশন ১৯৫৪’-এর প্রয়োগে মৌলিক পরিবর্তন আনবে। যা সিরিয়া থেকে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের মৌলিক অধিকার, যা অন্যরা পেয়ে আসছে তা লাভে প্রতিবন্ধক ছিল। যার মধ্যে আছে বসবাস, কাজ ও চলাফেরার অধিকার। ‘ল ফর প্যালেস্টাইন অরগানাইজেশন’-এর আইন গবেষক গাদা আল-রাইয়ানের দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই সিদ্ধান্ত দিয়েছে। ২০১৪ সালে সিরিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তিনি সুইজারল্যান্ডে পালিয়ে যান। তিনি তার আবেদনে সিরিয়া থেকে পালিয়ে আসা ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের বর্ণনায় একটি সংশোধনী চেয়েছিলেন। তা হলো তাদের রাষ্ট্রহীন শরণার্থী হিসেবে ঘোষণা করা। আর সুইজারল্যান্ডের সর্বোচ্চ আদালত তা মেনে নিয়েছে। আল-রাইয়ান বলেন, আমি স্বস্তি ও গর্ববোধ করছি। এটা ছিল একটি খুব ক্লান্তিকর এবং দীর্ঘ যুদ্ধ ছিল, যা আমার সময়, সম্পদ, ধৈর্য; সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমার পরিবারের আশা নষ্ট করে দিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

one × three =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য