হামাস-ইসরাইলের সংঘাতের ফলে গাজা থেকে বাস্তুচ্যুতদের মধ্যে ৩ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ সংক্রমণ রোগে আক্রান্ত বলে জানিয়েছে জাতিসঙ্ঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ।
বুধবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের চাহিদা পূরণকারী জাতিসঙ্ঘের এই সংস্থা বলেছে, খাদ্যের অভাব, বেঁচে থাকার মৌলিক জিনিসপত্রের অভাব এবং দুর্বল স্বাস্থ্যবিধি জীবনযাত্রার অবস্থাকে আরো খারাপ করে রোগের বিস্তারকে বাড়িয়ে তুলছে।
এতে আরো বলা হয়, আশ্রয়কেন্দ্রে যে সংক্রামক রোগগুলো রেকর্ড করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে- তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, মেনিনজাইটিস, জন্ডিস, ইমপেটিগো ও চিকেনপক্স।
এদিকে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ১৯ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ১১ হাজারেরও বেশি শিশু এবং নারী। আহত হয়েছে ২৮ হাজার ২০০ জনেরও বেশি।
গত মাস থেকে অবরুদ্ধ ছিটমহলে ইসরাইলের অবিরত বিমান ও স্থল হামলায় হাসপাতাল, মসজিদ এবং গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।
ইসরাইলি সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, ইতোমধ্যে ১ হাজার ২০০ ইসরাইলি নিহত হয়েছে।
উল্লেখ্য, গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ইসরাইলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছে বলে ঘোষণা করেছে। এর প্রতিরোধে পাল্টা হামলা শুরু করেছে ইসরাইল।
এক বিবৃতিতে হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দেইফ বলেন, শনিবার সকালে ইসরাইলে পাঁচ হাজার রকেট বর্ষণের মাধ্যমে ‘অপারেশন আল-আকসা স্ট্রম’ শুরু হয়েছে। ইসরাইল গাজা থেকে অনুপ্রবেশের কথা স্বীকার করেছে।
সূত্র : আল-জাজিরা
