Saturday, April 25, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিকসিরিয়ার ‘সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন’ করছে ইসরাইল

সিরিয়ার ‘সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন’ করছে ইসরাইল

সিরিয়ায় ইসরাইলি ব্যাপক হামলাকে ‘সার্বভৌমত্বের ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ব্যাপক লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক সাংবাদিকদের বলেন, মহাসচিব সিরিয়ার বিভিন্ন স্থানে শত শত ইসরাইলি বিমান হামলায় বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। দেশজুড়ে সব ফ্রন্টে সহিংসতা প্রশমনের জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি এইচটিএস (তাহরির আল-শাম) সশস্ত্র গোষ্ঠীর কর্তৃপক্ষ দামেস্কের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ইসরাইলি বাহিনী গোলান সীমান্ত অঞ্চলের শহর এবং সিরিয়ার একটি পরিত্যক্ত সামরিক পোস্ট দখল করে নিয়েছে বলে জানা গেছে। পার্বত্য গোলানে ইসরাইলি ও সিরিয়ার বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে এবং বিচ্ছিন্নতার ক্ষেত্রগুলো তদারকি করার জন্য ১৯৭৪ সালের মে মাসে নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক জাতিসংঘের ডিসএনগেজমেন্ট অবজারভার ফোর্স-ইউএনডিওএফ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ইসরাইলি বাহিনী কেবল বিচ্ছিন্ন অঞ্চলের কিছু অংশেই চলে যায়নি – তারা বলছে বিমান অভিযানও চালিয়েছে। পাশাপাশি সিরিয়ার উপকূলে নৌবাহিনীর জাহাজগুলোতে বোমা বর্ষণ করেছে।

এরদোগান-ব্লিংকেন বৈঠক : সিরিয়া ইস্যুতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেপ এরদোগানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্টের অফিস থেকে বলা হয়েছে, সিরিয়ার পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যাতে একযোগে কাজ করে সেই বিষয়ে জোর দিয়েছেন দুই নেতা। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক যাতে সিরিয়ার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করে তার উপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

https://reachableads-av.s3.ap-southeast-1.amazonaws.com/inqilab_tag/index.html

ডয়চে ভেলে বলছে, সিরিয়ায় যখন তুরস্কের সমর্থিত বিদ্রোহীদের সঙ্গে মার্কিন মদতপুষ্ট বাহিনীর সংঘর্ষ হচ্ছে, তখন এই বৈঠক হলো। কুর্দিদের নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্স মার্কিন জোটের সমর্থন পাচ্ছে। এই বাহিনীর নেতৃত্বে আছে পিপলস প্রোটেকশন গ্রুপ (ওয়াইপিজি)। তুরস্ক মনে করে, ওয়াইপিজি হলো কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) সঙ্গে যুক্ত সংগঠন। তুরস্কে যাওয়ার আগে ব্লিংকেন বলেন, পিকেকে হলো তুরস্কের বিপদের কারণ। তবে একইসঙ্গে আমরা সিরিয়ার ভেতরে বিরোধ এড়াতে চাই। আমরা চাই, অন্তর্বর্তী সরকার মসৃনভাবে গঠিত হোক এবং তারা ভালোভাবে কাজ করুক। এছাড়া বৃহস্পতিবার জর্ডনের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সঙ্গেও বৈঠক করেছেন ব্লিংকেন। সেখানে তারা সিরিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেছেন। দুজনেই সিরিয়াকে সুরক্ষিত রাখার উপর জোর দিয়েছেন।

গাজায় ত্রাণবাহী গাড়িতে ইসরাইলি ড্রোন হামলা, নিহত ১২ : যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় দুর্ভিক্ষের শঙ্কার মধ্যে চলমান ত্রাণ কার্যক্রম ব্যহত করতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। বৃহস্পতিবার সর্বশেষ হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের পশ্চিমে ইসরাইলি ড্রোন হামলার শিকার হন ত্রাণবাহী যানের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা। হামলায় আহত ৩০ জনের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গাজার স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, নিহত নিরাপত্তারক্ষীদের মরদেহ একটি মর্গে স্তূপাকারে রাখা হয়েছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় খাদ্য সংকট এবং উত্তরাঞ্চলে দুর্ভিক্ষের শঙ্কার মধ্যে চলমান ত্রাণ কার্যক্রম ব্যহত করতে অসংখ্য হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। গত রোববার গাজার রাফায় আটা কেনার জন্য অপেক্ষমাণ ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে একটি পৃথক হামলায় পশ্চিম গাজার একটি আবাসিক ভবনে শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়। কেন্দ্রীয় গাজার নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরে আরেকটি বোমা হামলায় ১৩ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ইসরাইলি হামলার মুখে ডিসেম্বরের শুরুতে গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর প্রধান প্রবেশপথ দিয়ে ত্রাণ সরবরাহ স্থগিত করে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ)। ইউএনআরডব্লিউএর প্রধান ফিলিপ লাজারিনি গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে ওঠছে বলে দাবি করেন। এর পেছনে পাঁচটি প্রধান কারণ উল্লেখ করেন তিনি। সেগুলো হলোÑগাজায় ইসরাইলের চলমান অবরোধ, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের বাধা, ত্রাণের পরিমাণ কমাতে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, ত্রাণ পাঠানোর রাস্তায় নিরাপত্তাহীনতা এবং স্থানীয় পুলিশের ওপর আক্রমণ। সূত্র : আল-জাজিরা, রয়টার্স, ডয়চে ভেলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

sixteen − eleven =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য