Tuesday, April 21, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবর৮ বছর বয়সেই কোরআনের অনুবাদক

৮ বছর বয়সেই কোরআনের অনুবাদক

সাধারণত যে বয়সে সবাই খেলনাসামগ্রী ও খেলাধুলায় ব্যস্ত সময় পার করে থাকে, সেই সময় নাইজেরিয়ার এক শিশু কোরআন চর্চা করে সময় কাটাচ্ছে। সবার সামনে পবিত্র কোরআন অনুবাদ ও ব্যাখ্যা করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সে। মাত্র আট বছর বয়সী এই শিশুর প্রতিভা ও পাণ্ডিত্য দেখে অবাক সবাই।

বিবিসির এক ভিডিও প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নাইজেরিয়ার কাদুনা রাজ্যের জারিয়া শহরের শিশু মুহাম্মদ শামসুদ্দিন। সে আফ্রিকার সবচেয়ে কম বয়সী কোরআন অনুবাদক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। মাত্র আট বছর বয়সেই সে পবিত্র কোরআন অনুবাদ চর্চা ও প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছে। রমজান মাসে মসজিদে আসা মুসল্লিদের উদ্দেশে সে কোরআন পাঠদান করে থাকে। সাধারণত নাইজেরিয়ায় ৪০ বছর হওয়ার পর কোরআন শিক্ষা প্রচারের কার্যক্রম করা যায়। তবে তার ক্ষেত্রে এ ধারার ব্যতিক্রম ঘটে।

মুহাম্মদ বলে, ‘আমার স্কুলে যাওয়ার বয়স হলে আমার বাবা স্কুলের একজন স্কলারের সঙ্গে আমাকে যুক্ত করেন। তিনি আমাকে পড়াশোনার দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন। এরপর পাশাপাশি আমি নিজ ঘরে পড়াশোনা ও গবেষণা করতে থাকি।’ মুহাম্মদ কোরআন পাঠদান ছাড়াও শুক্রবার সন্ধ্যায় মুসল্লিদের জন্য পাঠ কার্যক্রম পরিচালনা করে। সে বলে, ‘আমার মুসলিম সহযোগীরা আমরা কখন কোথায় সমবেত হব সে বিষয়ে নানাভাবে সহযোগিতা করে।’

স্থানীয় লোকজনের কাছে তার অবস্থান তৈরির পেছনে বাবাই তার প্রেরণার মূল উৎস বলে জানিয়েছে শিশু মুহাম্মদ। সে বলে, ‘শিশুর পড়াশোনার ব্যাপারে তার বাবা আত্মনিবেদিত ও উদার হলে এবং শিশু নিজেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলে সে অবশ্যই সফল হবে।’ সে আরো বলে, ‘আমি ইসলামের মৌলিক পাঁচটি বই থেকে পড়াশোনা শুরু করি। এ ছাড়া হাদিস বিষয়ে আমি শিক্ষকদের কাছে পড়াশোনা করি। ইসলামী ফিকাহ, ধর্মতত্ত্ব ও ইতিহাস বিষয়ে পড়ি।’

খেলাধুলা বা খেলনাসামগ্রীর প্রতি আগ্রহ নেই বলে জানিয়েছে মুহাম্মদ। এমনকি অনেক সময় মধ্যরাত পর্যন্ত গবেষণা করে সে। ওই সময় তার বাবা বাতি নিভিয়ে তাকে ঘুমাতে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু এই দীর্ঘ পরিশ্রমের পরও মুহাম্মদ ক্লান্তি বোধ করে না। কোরআন প্রচারের পাশাপাশি তার আরো লক্ষ্য আছে বলে জানিয়েছে মুহাম্মদ। সে বলে, ‘আমি ভবিষ্যতে চিকিৎসক ও আইনবিদ হতে চাই। এ কাজের জন্য আমি কোরআনচর্চা বাদ দেব না, বরং উভয়ের মধ্যে সমন্বয় করব।’     

সূত্র : বিবিসি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

3 × 3 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য