Saturday, June 6, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরছেলেকে বাঁচাতে কিডনি দান করবেন মা, প্রতিস্থাপনে প্রয়োজন টাকা

ছেলেকে বাঁচাতে কিডনি দান করবেন মা, প্রতিস্থাপনে প্রয়োজন টাকা

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১২-১৩ সেশনের শিক্ষার্থী কামরুল হাসান মারাত্মক কিডনি রোগে গুরুতর অসুস্থ। কৃষক বাবার দুই সন্তানের মধ্যে তিনি ছোট। কামরুলের বড় ভাইও দুরারোগ্য ব্যাধিতে মৃত্যুবরণ করেছেন আর এখন বাবার শেষ সম্বল ছোট ছেলে কামরুলও শয্যাশায়ী। কিডনি বিকল হওয়ায় কামরুলের মমতাময়ী মা কিডনি দান করতে চান। কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে কিডনি প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয়, এজন্য প্রয়োজন প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।

কামরুলের সহপাঠীরা জানান, যবিপ্রবি শিক্ষার্থী কামরুলের মা কিডনি দান করতে প্রস্তুত। কিন্তু কিডনি প্রতিস্থাপনসহ সকল খরচ বাবদ প্রয়োজন প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকা। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করা শিক্ষার্থী কামরুলের পিতা-মাতা তাদের সন্তানকে হারাতে চান না। সন্তানকে বাঁচাতে কৃষক বাবা-মা তাদের সকল সম্পত্তি বিক্রি করেও চিকিৎসার অর্থ জোগাড় করতে পারছেন না। 
  
প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকে উঠে এসে কামরুল আজ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয়ে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে সফলতার সাথে ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেছেন। ২৮ বছর বয়সী এই যুবকের দরিদ্রতার সাথে যুদ্ধ করে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করার পথে। ঠিক এসময় তার শরীরে বাসা বেঁধেছে নিরব ঘাতক CKD (Chronic Kidney Disease)। দুৰ্ভাগ্যজনকভাবে তার দুটো কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। 

পিতামাতার সামান্য পরিমাণ জমি ছিল। সেটাও বিক্রি করে বিগত জানুয়ারি মাস থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত চিকিৎসা চালিয়ে এসেছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আর এ সবকিছু সামলাতে গিয়ে পরিবারটি আজ সর্বস্বান্ত। কামরুল হাসানের পিতা-মাতা তাদের বড় ছেলেকে এভাবেই হারিয়েছেন, শেষ সম্বল ছোট ছেলের এই অবস্থা। ক্ষুদ্র কৃষক বাবা দিশেহারা। এজন্য কামরুলের পিতা-মাতাসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলে দেশের বিত্তবান মহলের প্রতি আকুতি জানিয়েছেন। 

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: 
বিকাশ- ০১৯৩৪২৫৫৯০৩ (মো. আল-আমিন, প্রভাষক, ইইই বিভাগ, যবিপ্রবি)। 
রকেট- ০১৭৩৭১১৭৮২৪৫ (রাশেদুল ইসলাম, শিক্ষার্থী ইইই বিভাগ, যবিপ্রবি)। 
নগদ- ০১৭৩৮৫০৭১০০ (শাহিনূর ইসলাম, শিক্ষার্থী, ইইই বিভাগ, যবিপ্রবি)।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

eight + one =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য