عَن ابْن عَبَّاس قَالَ: من تعلم كتاب الله ثمَّ ابتع مَا فِيهِ هَدَاهُ اللَّهُ مِنَ الضَّلَالَةِ فِي الدُّنْيَا وَوَقَاهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ سُوءَ الْحِسَابِ
وَفِي رِوَايَةٍ قَالَ: مَنِ اقْتَدَى بِكِتَابِ اللَّهِ لَا يَضِلُّ فِي الدُّنْيَا وَلَا يَشْقَى فِي الْآخِرَةِ ثُمَّ تَلَا هَذِهِ الْآيَةَ: (فَمَنِ اتَّبَعَ هُدَايَ فَلَا يضل وَلَا يشقى)
رَوَاهُ رزين
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবের শিক্ষা লাভ করলো, অতঃপর এ কিতাবের মধ্যে যা আছে তা অনুসরণ করলো, আল্লাহ তা‘আলা এ ব্যক্তিকে পৃথিবীতে পথভ্রষ্টতা হতে বাঁচিয়ে রাখবেন এবং ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) দিবসে তাকে নিকৃষ্ট হিসাবের কষ্ট হতে রক্ষা করবেন। অন্য এক বর্ণনায় আছে- তিনি বলেছেন, যে আল্লাহ তা‘আলার কিতাবের অনুসরণ করবে, সে দুনিয়াতে পথভ্রষ্ট হবে না এবং আখিরাতেও হতভাগ্য হবে না। অতঃপর এ কথার প্রমাণ স্বরূপ তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ (فَمَنِ اتَّبَعَ هُدَايَ فَلَا يَضِلُّ وَلَا يَشْقى) অর্থাৎ- ‘‘যে ব্যক্তি আমার হিদায়াত গ্রহণ করলো, সে (দুনিয়াতে) পথভ্রষ্ট হবে না এবং (পরকালেও) ভাগ্যাহত হবে না’’- (সূরাহ্ ত্ব-হা- ২০: ১২৩)। (রযীন)[1]
[1] ইবনু আবূ শায়বাহ্ ২৯৯৫৫।
ব্যাখ্যা: হাদীসের ব্যাখ্যায় ‘আল্লামা ত্বীবী বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব শিক্ষা করতো তা মেনে চলবে সে সফলকাম থাকবে। সে দুনিয়াতে যেমন গোমরাহী থেকে মুক্ত অনুরূপভাবে আখিরাতেও শাস্তি থেকে নিরাপদে থাকবে। যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব ও রসূলের সুন্নাত জানার পর উভয়ের উপর ‘আমল করবে তার জন্য এটাই উভয় জগতে সফলতার কারণ হবে।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনায় রয়েছে, যে ব্যক্তি সকল বিষয়ে ও সার্বিক অবস্থায় আল্লাহর কিতাবের অনুসরণ করে চলবে সে দুনিয়াতে কোন দিনই গোমরাহীতে নিপতিত হবে না। পরকালে তাকে কোন শাস্তিও দেয়া হবে না। অতঃপর এ আয়াতে কারীমা তিলাওয়াত করেনঃ
فَمَنِ اتَّبَعَ هُدَايَ فَلَا يَضِلُّ وَلَا يَشْق
অর্থাৎ- ‘‘যে আমার পথের অনুসরণ করবে যে বিপদগামী হবে না ও দুঃখ কষ্ট পাবে না।’’ (সূরাহ্ ত্ব-হা- ২০ঃ ১২৩)
