Tuesday, April 21, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবর‘আমাদের নিশানা করে তারা মজা পায়, কিন্তু তাদের এই আনন্দ পেতে দেব...

‘আমাদের নিশানা করে তারা মজা পায়, কিন্তু তাদের এই আনন্দ পেতে দেব না আমরা’ : ফাতিমা

মহানবী সা.-এর প্রতি কটূক্তিকারী ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নেত্রী নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য ভারতের উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে জাভেদ আহমেদের বাড়ি বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তা নিয়ে এবার সরব হলেন জাভেদ-কন্যা তথা ছাত্রনেত্রী আফ্রিন ফাতিমা। যোগী প্রশাসনের বুলডোজার-নীতির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, ‘সব সময় মুসলিমদেরই নিশানা করা হচ্ছে। মুসলিমদের বিরুদ্ধে অমানবিক পদক্ষেপ করে তারা মজা পায়। কিন্তু তাদের এই আনন্দ পেতে দেব না আমরা। যতই যাই করুক, আমরা চোখের পানি ফেলব না।’

গত ১২ জুন ভেঙে দেয়া হয় ‘ওয়েলফেয়ার পার্টি অব ইন্ডিয়া’র নেতা জাভেদের বাড়ি। প্রশাসনের তরফে বেআইনি নির্মাণের কারণ দেখানো হলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের দাবি, নূপুরের মন্তব্যের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখানোর কারণেই জাভেদের বাড়িতে বুলডোজার চালানো হয়েছে। বুলডোজার চালিয়ে উপড়ে ফেলা হয়েছে জাভেদের দোতলা বাড়ির প্রধান ফটক। ভেঙে ফেলা হয়েছে চৌহদ্দির পাঁচিলও।

সেই প্রসঙ্গে ফাতিমা বলেন, ‘আমার ছোট বোন ওই বাড়িতেই জন্মেছিল। ওর জন্মের সময় তৈরি করা হয়েছিল বাড়িটা। আমাদের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে ওই বাড়িটার সাথে।’

ফাতিমার মায়ের গাছের শখ। বাড়িতে নানা জায়গায় টবে হরেক গাছ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা ছিল। বুলডোজার চালিয়ে দেয়ায় সেই সব তছনছ হয়েছে গেছে বলে জানালেন জাভেদের মেয়ে। তার কথায়, ‘বাড়িতে অন্তত ৫০০ টব ছিল। সব নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আমি চাই ওই গাছগুলো তাদের অভিশাপ দিক। ওতেই আমি শান্তি পাব।’

সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ফাতিমা আরো বলেন, ‘কোনো কারণ ছাড়াই মুসলিমদের নিশানা করা হচ্ছে। মুসলিমদের কিছু করতেও হয় না। আমি নিশ্চিত, কোনো বিক্ষোভ না হলেও বাবার ঘাড়েই দোষ চাপানো হতো।’
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

9 + 17 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য