وَعَن حُذَيْفَة قَالَ: يَا مَعْشَرَ الْقُرَّاءِ اسْتَقِيمُوا فَقَدْ سَبَقْتُمْ سَبْقًا بَعِيدًا وَإِنْ أُخِذْتُمْ يَمِينًا وَشِمَالًا لَقَدْ ضللتم ضلالا بَعيدا. رَوَاهُ البُخَارِيّ
হুযায়ফাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি (তাবি’ঈদের উদ্দেশে) বলেন, হে কুরআন-ধারী (’আলিম) গণ! সোজা সরল পথে চলো। কেননা (প্রথমে দীন গ্রহণ করার দরুন পরবর্তীদের তুলনায়) তোমরা অনেক অগ্রসর হয়েছো। অপরপক্ষে তোমরা যদি (সরল পথ বাদ দিয়ে) ডান ও বামের পথ অবলম্বন কর, তাহলে পথভ্রষ্ট হয়ে সুদূর বিভ্রান্তিতে পতিত হবে। (বুখারী)[1]
[1] সহীহ : বুখারী ৭২৮২।
ব্যাখ্যা: হাদীসটির দু’টি অর্থ হতে পারে, প্রথম অর্থ- ওহে কুরআন সুন্নাহতে পারদর্শী সাহাবীগণ! তোমরা আল্লাহর নির্দেশ বাস্তবায়ন ও তাঁর নিষেধ কাজ থেকে বিরত থাকার মাধ্যম সরল-সঠিক পথের উপর চলো কেননা তোমরা ইসলামের প্রথম অবস্থা পেয়েছো, অতএব যদি তোমরা কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়িয়ে ধরো তাহলে প্রত্যেক কল্যাণকর বিষয়ে তোমরা অগ্রগামী হবে; কেননা তোমাদের পরে যারা আসবে তারা যদি তোমাদের ‘আমল অনুপাতে ‘আমল করে তাহলে তারা ইসলামে তোমাদের পশ্চাদগামী হওয়ার দরুন মর্যাদায় তোমাদের পর্যন্ত পৌঁছতে পারবে না, কারণ অনুসৃত ব্যক্তির মর্যাদা অনুসরণকারীর ওপরে থাকে।
দ্বিতীয় অর্থ- সরল-সঠিক পন্থা অবলম্বনের গুণে যারা গুণান্বিত তারা আল্লাহর নিকট তোমাদের অপেক্ষা অগ্রগামী। সুতরাং এ ধরনের পিছে পড়ে থাকাকে তোমরা তোমাদের নিজেদের জন্য কিভাবে মেনে নিচ্ছ যা সরল-সঠিক পন্থা থেকে ডান ও বাম দিকে নিয়ে যায়। স্থায়ী ধ্বংসকে টেনে আনে। হাদীসে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণকে সরল-সঠিক পথের উপর থাকার নির্দেশ দিচ্ছেন যা প্রতিটি মুসলিম ব্যক্তিকে সরল-সঠিক পথের উপর অবিচল থাকতে অনুপ্রেরণা যোগাবে।
