সম্প্রতি ইস্তাম্বুল মেদিনিয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠাগার উদ্বোধন করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোয়ান। প্রায় তিন লাখ বর্গ ফুটের এই পাঠাগারটি আয়তনে তুরস্কের সর্ববৃহৎ পাঠাগার। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও পাঠাগারটি ব্যবহারের সুযোগ পাবে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি সাততলা ভবনে স্থাপিত আছে পাঠাগারে ১০ লাখ বই এবং তা একত্রে পাঠ করতে পারবে তিন হাজার মানুষ।
পাঠাগার খোলা থাকবে ২৪ ঘণ্টা। কর্তৃপক্ষ পাঠাগার ভবনের বহুমুখী ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়েছে। ফলে সাধারণ পাঠকক্ষের বাইরে এখানে আছে গ্রুপ স্টাডির পৃথক কক্ষ, একাধিন কনফারেন্স হল, নামাজের স্থানসহ একাধিক সামাজিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ। দর্শনার্থীদের বিনা মূল্যে চা, কফি ও কুকিস সরবরাহ করা হবে।
সম্প্রতি তুর্কি সরকার তুরস্কের পাঠাগারগুলো আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
যার অধীনে রাজধানী আঙ্কারার প্রেসিডেনশিয়াল কমপ্লেক্সে একটি প্রেসিডেনশিয়াল লাইব্রেরি নির্মাণ করা হবে। ফলে তুরস্কে পাঠাগারের সংখ্যা ১.৭ শতাংশ বেড়ে ৩৪ হাজার ৫৫৫টিতে উন্নীত হয়েছে এবং পাঠকের সংখ্যা ২১ শতাংশ বেড়ে ১৫.৬ মিলিয়নে উন্নীত হয়েছে।
ইস্তাম্বুল মেদিনিয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠাগার উদ্বোধনের সময় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেন, তুর্কি সরকার সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠাগার যুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এ ছাড়া ঐতিহাসিক সামরিক স্থাপনা রামি ব্যারাক পাঠাগারে রূপান্তর করা হবে। ব্যারাকটি সুলতান আবদুল মজিদের শাসনামলে ক্রিমিয়ান যুদ্ধের সময় সামরিক সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ১৯৬০ সালে রামি ব্যারাকের সামরিক ব্যবহার শেষ হয়েছে।
তথ্যসূত্র : ডেইলি সাবাহ
