Thursday, June 4, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeকুরআন ও হাদীসপ্রতিদিন অতীব প্রয়োজনীয় একটি হাদিস জেনে নেই!!

প্রতিদিন অতীব প্রয়োজনীয় একটি হাদিস জেনে নেই!!

عَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «عُرِضَتْ عَلَيَّ النَّارُ فَرَأَيْتُ فِيهَا امْرَأَةً مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ تُعَذَّبُ فِي هِرَّةٍ لَهَا رَبَطَتْهَا فَلَمْ تُطْعِمْهَا وَلَمْ تَدَعْهَا تَأْكُلُ مِنْ خَشَاشِ الْأَرْضِ حَتَّى مَاتَتْ جُوعًا وَرَأَيْتُ عَمْرَو بْنَ عَامِرٍ الْخُزَاعِيَّ يَجُرُّ قُصْبَهُ فِي النَّارِ وَكَانَ أَوَّلَ مَنْ سَيَّبَ السَّوَائِبَ» . رَوَاهُ مُسلم

رواہ مسلم (9 / 904)، (2100) ۔
(صَحِيح)

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: (মি’রাজ রাত্রে অথবা স্বপ্নে) আমার সামনে জাহান্নামকে উপস্থাপন করা হয়। তাতে আমি বনী ইসরাঈলের এমন একজন মহিলাকে দেখতে পাই যাকে একটি বিড়ালের কারণে শাস্তি দেয়া হচ্ছিল। সে বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিল, তাকে খাদ্যও দেয়নি বা তাকে ছেড়েও দেয়নি যাতে সে জমিনে চলাফেরা করে পোকামাকড় ইত্যাদি খেতে পারত। পরিশেষে বিড়ালটি ক্ষুধায় মরে গেল। আমি আরো ’আম্‌র ইবনু ’আমির আল খুযা’ঈ-কে দেখতে পাই যে, সে জাহান্নামের আগুনে স্বীয় নাড়িভুড়িকে টানছে। এ ব্যক্তিই (দেবতার নামে) ষাঁড় ছাড়ার কু-রীতি সর্বপ্রথম চালু করেছিল। (মুসলিম)

সহীহ: মুসলিম ৯-(৯০৪), সহীহুল জামি ২৩৯৮, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ২২৭৪, মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আসার লিল বায়হাকী ২০২৫, সহীহ ইবনু খুযায়মাহ্ ১৩৮১, সহীহ ইবনু হিব্বান ৫৬২২, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৬৫৪১।

ব্যাখ্যা : (عُرِضَتْ عَلَيَّ النَّارُ) আমার সামনে জাহান্নাম পেশ করা হলো, আমি দেখলাম সেখানে বনী ইসরাঈলের এক মহিলাকে তার একটি বিড়ালের জন্য শাস্তি দেয়া হচ্ছিল। সে তাকে বেঁধে রেখেছিল। কিন্তু তাকে কোন প্রকার খাবার দেয়নি বা ছেড়েও দেয়নি যাতে সে পোকা-মাকড় শিকার করে খেতে পারে। ফলে বিড়ালটি ক্ষুধার কারণে মারা যায়।


(وَرَأَيْتُ عَمْرَو بْنَ عَامِرٍ الْخُزَاعِيَّ) এবং আমি আরো দেখতে পেলাম ‘আম্‌র ইবনু ‘আমির আল খুযা’ঈ কে।
‘আল্লামাহ্ তুরিবিশতী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, সে ছিল ঐ ব্যক্তি যে সর্বপ্রথম মক্কায় মূর্তি পূজা চালু করে এবং মূর্তির উদ্দেশে পশু ছেড়ে দেয়ার প্রথাকে চালু করে।


(يَجُرُّ قُصْبَهُ فِي النَّارِ) সে জাহান্নামে তার নাড়িভুড়ি নিয়ে টেনে বেড়াচ্ছে।


(وَكَانَ أَوَّلَ مَنْ سَيَّبَ السَّوَائِبَ) আর সেই সর্বপ্রথম মূর্তির উদ্দেশে পশু ছেড়ে দেয়ার প্রথা চালু করে। তার ধরণ হচ্ছে: কোন উট যখন অসুস্থ থেকে সুস্থ হয় অথবা কেউ সফর থেকে ফিরে আসে তখন বলে, আমার এ উটনীটি সায়িবা। উটনীকে বাঁধনমুক্ত করে ছেড়ে দিলে তা যথায় ইচ্ছা চড়ে বেড়াবে, খাদ্য খাবে। তার ওপর কোন বোঝা চাপাবে না, কেউ আরোহণ করবে না, তার দুগ্ধকে দহন করবে না। আর এসব কিছু করত মূর্তির নৈকট্য হাসিল করার জন্য। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ, শারহুন নাবাবী ৬/৯০৪)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

5 × 2 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য