অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, বাংলাদেশে কর এজেন্ট হবে এমন একটি প্রতিষ্ঠান যারা এনবিআর থেকে নিবন্ধন পাবে এবং ইনকাম ট্যাক্স প্রিপেয়ারার নিয়োগ করবে। এই এজেন্টরা প্রশিক্ষণ পাবেন এবং পর্যবেক্ষণের আওতায় থাকবেন। তারা নতুন করদাতাদের খুঁজে বের করবেন এবং তাদের রিটার্ন দাখিল করতে সাহায্য করবেন। সেই রিটার্নগুলো অনলাইনে জমা দিতে হবে। সূত্র আরও জানিয়েছে, কর এজেন্টরা সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের তথ্য নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রথমে নতুন করদাতা খুঁজে বের করবে। এরপর তাদের রিটার্ন জমা দিতে উদ্বুদ্ধ করবে, প্রয়োজনে রিটার্ন পূরণ করে দেবে। এর বিনিময়ে এজেন্টকে উৎস কর ব্যতীত আদায়কৃত করের একটা কমিশন দেওয়া হবে, যার বড় অংশই ট্যাক্স রিটার্ন প্রিপেয়াররা পাবেন। নতুন করদাতা খোঁজার বিনিময়ে আগামী পাঁচ বছর এজেন্টদের কমিশন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এনবিআর সূত্রে জানা যায়, প্রকৃতপক্ষে এজেন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশে করদাতা খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে দুটি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। প্রথমত, করজাল বৃদ্ধির মাধ্যমে আয়কর আদায় বৃদ্ধি। কারণ দেশের উপজেলা-পৌরসভা পর্যায়ে করযোগ্য আয় থাকা সত্ত্বেও অনেকে কর দিচ্ছেন না, তাই কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় রাজস্ব আদায় করা যাচ্ছে না। প্রায় ৮৮ লাখের বেশি টিআইএনধারী থাকলেও চলতি করবর্ষে রিটার্ন জমা দিয়েছেন মাত্র ২৯ লাখ করদাতা। দ্বিতীয়ত, এতে কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে।
