Wednesday, July 15, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরযে শর্তে হামাসের সঙ্গে সমঝোতায় যাচ্ছে ইসরায়েল

যে শর্তে হামাসের সঙ্গে সমঝোতায় যাচ্ছে ইসরায়েল

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলার মধ্যেই প্রথমবারের মতো হামাসের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে রাজি হয়েছে দখলদার ইসরায়েল। চুক্তিটি অনেকটা কাছাকাছি রয়েছে বলে জানিয়েছেন হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) কাতারে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। আজই যেকোনো সময় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে বলে খবরে জানানো হয়েছে।

হানিয়া বলেন, আমরা (ইসরায়েলের সঙ্গে) একটি সমঝোতা চুক্তির কাছাকাছি রয়েছি। কাতারের মাধ্যমে আমরা এই চুক্তির প্রস্তাব পেয়েছি এবং তাতে সম্মতিও দিয়েছি।


তবে সম্ভাব্য এই সমঝোতা চুক্তিতে কী কী শর্ত রয়েছে তা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি থাকা হামাস নেতাকর্মীদের ছেড়ে দেয়ার ব্যাপারটি শীর্ষে রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন হামাস কর্মকর্তা ইজ্জাত আল রিশক। তিনি বলেছেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে থাকছে গাজার সব এলাকায় ত্রাণের ট্রাকের প্রবেশ ও ত্রাণ সরবরাহের পরিবেশ তৈরি করা এবং যারা ইসরাইলের হামলায় আহত হয়েছেন তাদেরকে গাজার বাইরে অন্য দেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

এ হামাস কর্মকর্তা আরো বলেন, চুক্তিতে বন্দি বিনিময়ের বিষয়টিও থাকছে। চুক্তির আওতায় বন্দি ইসরায়েলি নারী ও শিশুদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরাইলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুদের মুক্তি দেয়া হবে।

আল রিশক জানান, যুদ্ধবিরতি চুক্তির লক্ষ্যে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আলোচনা চলছে। তবে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এখনো নিশ্চিত করেননি। ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর সবগুলো ব্রিগেডই এরইমধ্যে ফোনের মাধ্যমে চুক্তিতে সম্মতি জানিয়েছেন বলেও জানান এই হামাস কর্মকর্তা।

সোমবার (২০ নভেম্বর) ইসরায়েলের টেলিভিশন চ্যানেল কান জানিয়েছিলো, গাজায় হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মুক্ত করতে সমঝোতায় পৌঁছাতে চায় ইসরায়েল। এই সমঝোতার শর্ত— যদি হামাস জিম্মিদের মুক্তি দেয়, তাহলে ইসরায়েলের বিভিন্ন কারাগারে থাকা হামাস নেতা-কর্মীদের ছেড়ে দেওয়া হবে।

এর আগে একই দিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন কিরবি জানিয়েছিলেন, গাজায় ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। দু’পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতার একটি পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। আমরা আশা করছি এটি হবে। তবে এখনও অনেক কাজ বাকি রয়ে গেছে,’ হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন কিরবি।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ভোরে ইসরায়েলে অতর্কিত হামলা চালায় গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা। জবাবে এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনের গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। দেশটির হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৩০০ জনে। যার অর্ধেকেরই বেশি নারী ও শিশু। এছাড়া এদিন জাতিসংঘের একাধিক আশ্রয়কেন্দ্রও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উত্তরে ইন্দোনেশিয়ান হসপিটাল ও কামাল আদওয়ান হসপিটাল এলাকা ঘেষেও এই মুহূর্তে হামলা চলছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

three × five =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য