পরিচ্ছেদঃ ১৮৩: বিশেষ বিশেষ সূরা ও আয়াত পাঠ করার উপর উৎসাহ দান
তাওহীদ পাবলিকেশন নাম্বারঃ ১০২৮, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ১০২১
১৩/১০২৮। আবূ দরদা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম দিক থেকে দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের (ফিতনা) থেকে পরিত্রাণ পাবে।”
অন্য বর্ণনায় ’কাহাফ সূরার শেষ দিক থেকে’ উল্লেখ হয়েছে। (মুসলিম) [1]
(183) بَابُ فِي الْحَثِّ عَلٰى سُوَرٍ وآيَاتٍ مَخْصُوْصَةٍ
وَعَنْ أَبي الدَّردَاءِ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ: مَنْ حَفِظَ عَشْرَ آيَاتٍ مِنْ أَوَّلِ سُورَةِ الكَهْفِ، عُصِمَ مِنَ الدَّجَّالِ . وفي رواية: مِنْ آخِرِ سُورَةِ الكَهْفِ – رواهما مسلم
وعن ابي الدرداء رضي الله عنه: ان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال: من حفظ عشر ايات من اول سورة الكهف، عصم من الدجال . وفي رواية: من اخر سورة الكهف – رواهما مسلم
[1] আমি (আলবানী) বলছিঃ দ্বিতীয় বর্ণনাটি শায আর প্রথম বর্ণনাটি নিরাপদ (সহীহ্) যেমনটি আমি “সিলসিলাহ্ সহীহাহ্” গ্রন্থে (নং ৫৮২) তাহকীক্ব করেছি। এর সাক্ষ্য দিচ্ছে নাওয়াস ইবনু সাম‘আনের আগত হাদীসটি। যেটিকে (১৮১৭) নম্বরে লেখক উল্লেখ করেছেন। কারণ এতে বলা হয়েছে যে, তোমাদের মধ্য থেকে যে ব্যক্তি দাজ্জালকে পেয়ে বসবে সে যেন তার বিপক্ষে সূরা কাহাফের প্রথম অংশ পাঠ করে। মুসলিম ৮০৯, তিরমিযী ২৮৮৬, আবূ দাউদ ৪৩২৩, আহমাদ ২১২০০, ২৬৯৭০, ২৬৯৯২
