আপনি একটা ছিনতাইকারীকে বলতে পারেন, ভাই কাজটা খারাপ।
আপনি ছেড়ে দেন, আপনাকে ব্যবসা শুরু করার জন্য আমি কিছু টাকা দিব।
আপনি হালাল কাজ করে খান।
আবার আপনি তাকে বলতে পারেন, আপনার কাজটা খুবই ‘মর্যাদার’ আপনি করতে থাকেন। আমি আপনাকে অস্ত্রপাতি কেনার জন্য দশ হাজার টাকা দিব।
আপনি কোনটা করবেন?
কোনটা করা উচিত?
সমাজের জন্য কোনটা ভালো?
এইবার ছিনতাইকারীর জায়গায় ‘পতিতা’ বসান।
আপনি তার পুনর্বাসনের চেষ্টা করতে পারতেন।
হালাল, সম্মানজনক কাজের ব্যবস্থা করার জন্য ২ কোটি কেন ২০০ কোটি টাকা খরচ করতে পারতেন।
কিন্তু পতিতারা ভালো হয়ে গেলে তো এনজিওদের লাভ নাই।
এনজিওদের লাভ যদি পতিতারা বেশ্যাই থেকে যায়।
এদের করুণ জীবনটাকে ক্যামেরাতে দেখিয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে টাকা নেয়া যাবে।
বিদেশ থেকে ফান্ড আনা যাবে।
এইজন্য এনজিওদের মূল উদ্দেশ্য পতিতাদের কাজ যে ‘মর্যাদাপূর্ণ’ এই কথাটা বার বার বলা।
দেখবেন এরা ‘পতিতা’ বা ‘বেশ্যা’ শব্দ ব্যবহার করে না। বলে ‘যৌনকর্মী’।
অথচ অভাবের তাড়নায় শরীর বিক্রি করা কোনো কর্ম না, অপমান। লাঞ্চনা!
আচ্ছা – এই যে এনজিওগুলো যারা চালায় – এরা এদের মা, মেয়ে, বোন – পতিতাবৃত্তির মতো ‘মর্যাদাবান’ পেশায় আসুক – এটা চাইবে?
কোনো ভালো, সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ চাইবে?
ভাইয়েরা, আপারা – আপনারা এই দেশের সুশীল সমাজকে চিনে নেন।
এনজিও ওয়ালাদের চিনে নেন।
অবুঝ, অসহায় মেয়েদের বেশ্যা বানিয়ে রাখার কারিগরদের চিনে নেন।
“যারা পছন্দ করে যে, মু’মিনদের মধ্যে অশ্লীলতার বিস্তৃতি ঘটুক তাদের জন্য আছে ভয়াবহ শাস্তি দুনিয়া ও আখিরাতে। আল্লাহ জানেন আর তোমরা জান না।”
[সূরা আন-নূর; ২৪:১৯]
