Wednesday, May 27, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeনিবন্ধখিলাফতের মূলনীতি মেনে আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।

খিলাফতের মূলনীতি মেনে আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।

৩ টা জিনিস মনে রাখা দরকার:
১.
পরামর্শ করে কাজ করা, অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া মানেই গণতন্ত্র না। নবিজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরামর্শ করে কাজ করেছেন মানে তিনি ‘গণতান্ত্রিক’ মনোভাব রাখতেন, এটা বলা ভুল। পরামর্শ গণতন্ত্রের একক সম্পত্তি না। গণতন্ত্রের পিতাজীর জন্মের আগে থেকে মানুষ পরামর্শ করে কাজ করে এসেছে। যেকোন পরামর্শসভা বা অন্যের মতামত গ্রহণকেই গণতন্ত্র বানিয়ে দেয়া চূড়ান্ত হীনম্মন্যতা।

গণতন্ত্র একটা আধুনিক ধারণা। ১৭-১৮ শতকে এর জন্ম। গ্রীক নগররাষ্ট্রের পরামর্শসভাও আজকের গণতন্ত্র না। ওটাকেও বহু রাষ্ট্রতাত্ত্বিক গণতন্ত্র বলতে নারাজ। ধর্মহীন সেক্যুলার রাষ্ট্র কীভাবে চলবে, সেই আলাপ করতে করতে করতে গণতন্ত্রের জন্ম। সুতরাং ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র কখনই গণতান্ত্রিক হতে পারবে না। ধর্মকে বাদ দিতেই গণতন্ত্রের জন্ম। এজন্যই ফরহাদ মজহারকে জিগ্যেস করা হয়েছিল: জামাআত ভোটে জিতে ক্ষমতায় এলে মেনে নেবেন? উত্তর ছিল: শুধু ভোট মানেই গণতন্ত্র নয়।

২.
অনেকের মতামত নিয়ে কাউকে কোন পদে দায়িত্ব দেয়া মানেই গণতন্ত্র না। উমর রা. এর পদ্ধতিকে আধুনিক গণতন্ত্রের সাথে মেলানো চূড়ান্ত নির্বুদ্ধিতা। দুটোর মাঝে মৌলিক জায়গায়ই মারাত্মক বৈপরিত্য রয়েছে:
★ তিনি যে একক সিদ্ধান্তে ৬ জনের প্যানেল বানালেন, এটাই তো গণতন্ত্রের বিরোধী।
★ এনারা কেউ-ই প্রার্থী নন। প্রার্থিতা ইসলামে নেই। ‘যে নেতৃত্ব চায়, তাকে দিও না’ একটি প্রসিদ্ধ হাদিস ও মূলনীতি। এনারা কেউ ভোটে দাঁড়াননি। বরং সবাই নিজ নিজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন ২ জন ছাড়া।
★ এই ২ জনের ব্যাপারে গণভোট নেয়া হয়নি। বিশেষ বিশেষ লোকেদের মতামত নেয়া হয়েছে। আধুনিক গণতন্ত্রের সাথে স্পষ্ট বৈপরিত্য কীভাবে পণ্ডিত লোকেদের চোখ এড়ায়?

৩. স্বৈরতন্ত্র-রাজতন্ত্রের বিপরীত শব্দ একমাত্র গণতন্ত্রই, এটাও ভুল। কেউ গণতন্ত্রের বিরোধী মানেই সে স্বৈরতার পক্ষে, এই জাজমেন্ট ভুল। স্বৈরতার বিপরীতে গণতন্ত্রের চেয়ে কল্যাণকর কিছু থাকতে পারে, এটা মানতে আপনারা নারাজ কেন? আমরা বলছি, ইসলামী পদ্ধতি গণতন্ত্রের চেয়েও কল্যাণকর।

এখানে আরও বহু আলোচনা আছে। ‘আধুনিক’ ‘গণতন্ত্র’ ও ‘রাষ্ট্র’ তিনটি সত্তাই ইসলামের মূলনীতি ‘আবদিয়াত’ (দাসত্ব) এর সাথে নানান মাত্রায় সাংঘর্ষিক। এই শব্দগুলো কখনও দাসত্বকেই অস্বীকার করে, অতীন্দ্রিয় সত্তায় আত্মসমর্পণকে অস্বীকার করে, ভিন্ন কিছুকে সর্বশক্তিমান সাব্যস্ত করে, আল্লাহর বিধানের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে। এটা আরও গভীর আলাপ, সামনে কখনও ইনশাআল্লাহ।

খিলাফতের মূলনীতিতে আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র- এই ফ্রেজটার সবচেয়ে সহজ তুলনা হল:
ইজাব-কবুল-মোহরানা-ওলীমা করে সমকামী বিয়ে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

eleven + twelve =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য