রোববার (১ মার্চ ২০২৬) দুপুরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের গভীর দুর্গম পাহাড়ি জঙ্গলে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ইরাকে। দুর্বৃত্তরা তাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়, কিন্তু রক্তাক্ত অবস্থায় টলমল পায়ে হেঁটে আসতে দেখে স্থানীয় শ্রমিক, স্ক্যাভেটর চালক ও যুবকরা (রবিউল হাসান, আরিফুল ইসলাম রনি প্রমুখ) উদ্ধার করে।
গলার শ্বাসনালি কেটে যাওয়ায় কথা বলতে পারছিল না, শরীর রক্তে ভেজা, নিচের অংশে পোশাক ছিল না—ধর্ষণের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়।
প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, পরে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) স্থানান্তর করা হয়। রোববার রাতে গলায় অস্ত্রোপচার হয়, কিন্তু সোমবারও অবস্থা স্থিতিশীল হয়নি। অবশেষে মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তার চাচা মো. রমিজসহ পরিবারের সদস্যরা এটি নিশ্চিত করেছেন।
সীতাকুণ্ড থানায় শিশুটির মা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যাচেষ্টা ও হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে, এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি (কিছু সূত্রে শিশুটির বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটকের কথা উঠেছে, কিন্তু নিশ্চিত নয়)। এলাকায় তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছে—মানুষ দ্রুত বিচার ও শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।
এমন নৃশংস অপরাধের দ্রুত বিচার না হলে সমাজে নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়বে। শিশু ইরার আত্মার শান্তি কামনা করি, পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা। যদি আরও কোনো আপডেট বা বিস্তারিত তথ্য চান, বলুন।
