Friday, May 22, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদাওয়াপহেলা বৈশাখে ইসলামী সাংস্কৃতিক র‍্যালি: শরঈ বিধান কী?

পহেলা বৈশাখে ইসলামী সাংস্কৃতিক র‍্যালি: শরঈ বিধান কী?

মুসলিমের ঈদ-উৎসবের স্বরূপ, প্রকৃতি ও পদ্ধতি সকল দিক থেকে অন্যান্য জাতির পর্ব-উৎসব থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। কেবল ‘উৎসব’ শিরোনাম হলেই মুসলিম তাতে অংশগ্রহণ করতে পারে না। বরং উৎসবের প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্যই নির্ধারণ করে দেয়—মুসলিম তাতে অংশগ্রহণ করতে পারবে কি না।

আর জানা কথা, ইসলাম তাওহীদের ধর্ম। সুতরাং শিরক ও শিরকের অনুষঙ্গযুক্ত কোনো উৎসবের সাথে মুসলিমের আদৌ কোনো সম্পর্ক গ্রহণযোগ্য নয়—যতই তা ‘সর্বজনীন উৎসব’ শিরোনামে উপস্থাপন করা হোক।
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদীনায় আগমন করেন, তখন মদীনাবাসীরও দুটি উৎসব ছিল। কেবল ‘উৎসব’ হওয়ার কারণে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলিমদেরকে তাতে অংশগ্রহণের অনুমতি দেননি। কারণ, অন্যান্য জাতি-ধর্মের উৎসবে তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি অবশ্যই প্রতিফলিত হয়—মুশরিক হলে শিরকের সংস্কৃতি, অগ্নিপূজারী হলে তাদের সংস্কৃতি।

এ কারণেই নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উৎসবে আমাদের অংশগ্রহণের অনুমতি দেননি—‘দেশজ সংস্কৃতি’র অজুহাতেও নয়; বরং এর পরিবর্তে মুসলিমদেরকে দুটি ঈদ দান করা হয়েছে। আর এই দুই ঈদ দেওয়ার উদ্দেশ্যই হলো—মুসলিমদের উৎসবকে পৌত্তলিকতা ও অন্যান্য জাতি-ধর্মের সংস্কৃতি থেকে মুক্ত রাখা। হাদীসে এসেছে—

عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَدِمَ رَسُولُ اللّٰهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ وَلَهُمْ يَوْمَانِ يَلْعَبُونَ فِيهِمَا، فَقَالَ: مَا هَذَانِ الْيَوْمَانِ؟ قَالُوا: كُنَّا نَلْعَبُ فِيهِمَا فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَقَالَ رَسُولُ اللّٰهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ اللّٰهَ قَدْ أَبْدَلَكُمْ بِهِمَا خَيْرًا مِنْهُمَا: يَوْمَ الْأَضْحَى، وَيَوْمَ الْفِطْرِ.

আনাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় আগমন করলেন। সে সময় মদীনাবাসীর দুটি দিন ছিল, যাতে তারা আনন্দ-ফূর্তি করত। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এ দুটি দিন কী? তারা বলল, জাহেলিয়াত যুগে আমরা এ দিনগুলোতে আনন্দ-ফূর্তি করতাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ তাআলা এ দুটি দিনের পরিবর্তে তোমাদেরকে উত্তম দুটি দিন দান করেছেন—ইয়াওমুল আযহা ও ইয়াওমুল ফিতর। সুনানে আবু দাউদ, হাদীস: ১১৩৪; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস: ১২০০৬

ইসলামী শরীয়তে এই দুই দিবসের বাইরে আলাদা আনন্দ-উৎসবের জন্য কোনো দিবস নির্ধারিত নেই। আর এই দুই উৎসবের দিনেও উৎসবের ধরন কেমন হবে—তা আল্লাহ তাআলা নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে শিক্ষা দিয়েছেন। এর বাইরে অন্য কোনো উৎসব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পালন করেননি, সাহাবায়ে কেরাম পালন করেননি এবং সালাফে সালেহীনের কেউও পালন করেননি। না নববর্ষ পালন করেছেন, না জন্মদিন পালন করেছেন। যদি এগুলো ইসলামের অংশ হতো, তবে খাইরুল কুরূনের যুগে অবশ্যই তা পালিত হতো।

নববর্ষ উৎসবের উৎপত্তি

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, নববর্ষ উদযাপনের প্রচলন নতুন কোনো বিষয় নয়; বরং এর শিকড় প্রাচীন যুগে প্রোথিত। প্রাচীন পারস্য—বর্তমান ইরানে—নববর্ষ ‘নাইরুয’ বা ফারসি ভাষায় ‘নওরোয’ নামে পরিচিত ছিল এবং তা জাহেলিয়াত যুগ থেকেই জাঁকজমকের সাথে উদযাপিত হয়ে আসছিল। শব্দগত দিক থেকেও ‘নওরোয’ অর্থই হলো নতুন দিন বা নববর্ষ।

শুধু পারস্যেই নয়, প্রাচীন মিশরেও অনুরূপ একটি দিবস পালিত হতো। ইতিহাসবিদ হাফেয যাহাবী রহ. উল্লেখ করেন যে, “নওরোয হলো কিবতি বর্ষের প্রথম দিন। এই দিনে মিশরীয়রা বাড়াবাড়ি রকমের আমল করে। সবাই উৎসবের জন্য সমবেত হয় এবং এ দিনকে ঈদের মতো গ্রহণ করে। বসন্তের প্রথম দিনকে তারা নওরোয বলে।” তাশাব্বুহুল খাসিস বিআহলিল খামিস ফি রাদ্দিত-তাশাব্বুহি বিল মুশরিকীন, পৃ. ৪৯

ঐতিহাসিকভাবে পারস্যের সমাজ অগ্নিপূজক ধর্মবিশ্বাসের অনুসারী ছিল এবং মিশরের কিবতি সমাজ ফেরাউনী ঐতিহ্যের ধারক ছিল। ফলে দেখা যায়, নববর্ষ উদযাপনের এই ধারা মূলত ঐসব জাতির মধ্যেই বিকশিত হয়েছে, যাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ভিত্তি ছিল ভিন্ন এবং স্বতন্ত্র। আর নববর্ষ পালনকারী দুটি জাতিই মূলত মুশরিক। মুশরিকদের থেকেই এই উৎসবের উৎপত্তি।

পারসিক নববর্ষ (নওরোয) ইসলামের আগ থেকেই বিদ্যমান। ফলে এ বিষয়ে প্রথম যুগের কর্মপদ্ধতি আমাদের সামনে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। মুসলমানগণ এ ক্ষেত্রে দুই ধরনের কর্মপদ্ধতি অবলম্বন করেছেন—

এক. সৌজন্যমূলক—এটি ছিল দুনিয়াদার ও শাসকদের পদ্ধতি।

দুই. শরীয়তভিত্তিক ও প্রত্যাখ্যানমূলক—এটাই ছিল সালাফের পদ্ধতি।

হাজ্জাজ বিন ইউসুফসহ উমাইয়্যাদের অনেক নেতা নববর্ষের দিনে পারস্যের নেতাদের নানান উপঢৌকন পাঠাত। কিন্তু উমর ইবনে আব্দুল আযীয রহ. এসে এসব বন্ধ করে দেন। এ কারণেই তিনি খলীফায়ে রাশেদ হিসেবে পরিচিত। তুর্কি ও পারসিকদের প্রভাবে ভারতবর্ষের মুসলমানদের মাঝেও নববর্ষ উদযাপনের প্রচলন হয়েছিল। পরবর্তীতে বুযুর্গ বাদশাহ আলমগীর রহ. তা অনৈসলামিক গণ্য করে বন্ধ করে দেন।

তথাপি আজও ‘হাজার বছরের লোক-সংস্কৃতি’ হিসেবে ইরাক, ইরান ও আফগানিস্তানের একদল মুসলিম এটি পালন করে। এ দিনে ভালো খাবার রান্না করে, কুরআন তিলাওয়াত করে—অর্থাৎ জাহেলী নববর্ষের ওপর ইসলামের লেবাস পরিয়ে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ঠিক যেমন প্রবণতা বাংলা নববর্ষের ক্ষেত্রেও লক্ষ করা যায়।

স্বস্তির বিষয় হলো—এ বিষয়ে আমাদের সালাফের অসংখ্য বক্তব্য রয়েছে। ফলে নিষ্ঠাবান মুসলমানদের জন্য দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগার কোনো প্রয়োজন নেই। কিছু বক্তব্য উল্লেখ করা হলো—

১. হযরত আলী রাযি. কে নববর্ষ উপলক্ষে পারসিক অমুসলিমদের পক্ষ থেকে উপহার দেওয়া হলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন—এটা কী? বলা হলো—‘নওরোয’ উপলক্ষে। তিনি তা অপছন্দ করলেন এবং বললেন—“তাহলে প্রতিদিনই হাদিয়া দাও।” অন্য বর্ণনায় এসেছে—“আমাদের নববর্ষ তো প্রতিদিনই।”
লক্ষণীয় যে, তিনি সৌজন্যবশত উপহার গ্রহণ করলেও ‘নওরোয’ শব্দটিও উচ্চারণ করেননি। সুনানে কুবরা, বাইহাকী ১৯/১৬৮

২. আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযি. বলেন—“যে ব্যক্তি পারস্যে অবস্থান করে তাদের নওরোযে অংশগ্রহণ করবে এবং তাদের সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করবে, সে যদি এ অবস্থায় মারা যায়, তার হাশর হবে তাদের সঙ্গে।”
আহকামু আহলিয যিম্মাহ ৩/১২৪৮

৩. হানাফী ফকীহগণের ফাতাওয়া—“যদি কেউ অগ্নিপূজারীদের নববর্ষে তাদের সঙ্গে বের হয়, তাদের কর্মে অংশগ্রহণ করে, অথবা নববর্ষের সম্মানে কোনো কিছু ক্রয় করে—তাহলে সে মুরতাদ হয়ে যাবে।” আল-বাহরুর রায়েক ৫/১৩৩

৪. আরও বলা হয়েছে—“নববর্ষের দিনগুলোতে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে দফ বাজানোও হালাল নয়।” আল-বাহরুর রায়েক

৫. হানাফী আলিমদের ঐতিহাসিক ফাতাওয়া—
“যদি কেউ অমুসলিমদের মতো নববর্ষকে সম্মান করে এবং এ উপলক্ষে বিশেষ কিছু ক্রয় করে—যা অন্য দিনে করত না—তবে তা কুফর গণ্য হবে। এ দিনের সম্মানে কাউকে উপহার দিলেও কুফর হবে। তবে অভ্যাসগতভাবে দিলে কুফর হবে না, গুনাহ হবে।”

সারকথা—নববর্ষের দিনে এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যা এ দিনের আগে বা পরে করা হয় না। ইমাম আবু জাফর কাবীর রহ. থেকে বর্ণিত—“যদি কোনো ব্যক্তি পঞ্চাশ বছর ইবাদতে কাটানোর পর নববর্ষের সম্মানে কোনো অমুসলিমকে একটি ডিমও উপহার দেয়, তবে তার সব ইবাদত নষ্ট হয়ে যাবে এবং সে কাফের হয়ে যাবে।”ফাতাওয়ায়ে কাযীখান ৩/৩৬২

সাহাবী, তাবেয়ী ও সালাফ থেকে এ ধরনের বক্তব্যের কোনো অভাব নেই। তারা নওরোয তথা পারসিক নববর্ষ সম্পর্কে যা বলেছেন, তা বাংলা নববর্ষসহ পৃথিবীর অন্যান্য সকল স্থানীয় ক্যালেন্ডারের নববর্ষের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য—যেগুলোর শিকড় ইসলামপূর্ব জাহেলী পঞ্জিকায় নিহিত।

ফলে পৃথিবীর কোনো দেশের কোনো ক্যালেন্ডারের নববর্ষ পালন বৈধ নয়। মুসলমানদের সকল উদযাপন চন্দ্রবর্ষ তথা হিজরী ক্যালেন্ডারের সাথে সম্পৃক্ত।
এটি কেবল একটি ফাতাওয়া নয়; বরং ইসলামের স্বাতন্ত্র্য, সকল আচার-অনুষ্ঠানের ওপর শরীয়াহর নিয়ন্ত্রণ এবং মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার একটি মৌলিক ধারণা। যাদের অন্তরে এ উপলব্ধি রয়েছে, তাদের জন্য এ বিষয়ে অতিরিক্ত ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয় না।

কথিত প্রগতিশীলরা ইসলামের এই আধিপত্য মেনে নিতে চায় না; বরং ‘প্রাচীন সংস্কৃতি’র নামে ভিন্ন ধারাকে টিকিয়ে রাখতে চায়।

অবশেষে, ইসলামী পদ্ধতিতে নববর্ষ পালনের কোনো সুযোগ নেই। কারণ ইসলামে এর কোনো ভিত্তি নেই। হানাফী মাযহাবের ফাতাওয়া অনুযায়ী—“নওরোয উপলক্ষে নির্দিষ্টভাবে রোযা রাখা মাকরূহে তাহরীমী।”
—নূরুল ঈযাহ, পৃ. ১২৭

একই নীতিতে পহেলা বৈশাখে শোভাযাত্রা যেমন নিষিদ্ধ, তেমনি এ উপলক্ষে বিশেষ রোযা, নামায, তিলাওয়াত বা মাহফিলের মতো ইবাদত নির্ধারণ করাও বৈধ নয়। ইসলামী বৈশাখ বলে ইসলামে কিছু নেই। সুতরাং বৈশাখ পালনকে একবাক্যে ‘না’ বলা আবশ্যক।

পহেলা বৈশাখে সাংস্কৃতিক র‍্যালি করা যাবে?

ইমাম যাহাবী রহ. বলেন—“কেউ যদি বলে, এর দ্বারা তো আমাদের উদ্দেশ্য মুশরিকদের সাথে সাদৃশ্য করা নয়—তাহলে তাকে বলা হবে, মুশরিকদের সাথে উৎসব ও পার্বণে মিলে যাওয়া এবং সরাসরি অংশগ্রহণ করাটাই হারাম। এর দলিল হলো—সহীহ হাদীসে প্রমাণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় নামায পড়তে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, সূর্য শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝখান দিয়ে উদিত হয়, আর তখন কাফেররা সূর্যের পূজা করে। এখন এ সময়ে যে ব্যক্তি নামায পড়ছে, সে তো পূজার উদ্দেশ্যে সিজদা করছে না। যদি পূজার উদ্দেশ্যে সিজদা করত, তাহলে সে কাফের হয়ে যেত। তবুও তা নিষিদ্ধ—কারণ, খোদ মুশরিকদের সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ এবং তাদের সাথে মিলে যাওয়া হারাম।”
তাশাব্বুহুল খাসিস বিআহলিল খামিস ফি রাদ্দিত-তাশাব্বুহি বিল-মুশরিকীন, পৃ. ৩০

অর্থাৎ, আপনি কী উদ্দেশ্যে, কোন পদ্ধতিতে নববর্ষ উদযাপন করছেন—তা মুখ্য নয়; বরং মুখ্য হলো—আপনার এই উদযাপন পদ্ধতি মুশরিকদের নববর্ষ পালনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। আর এই সাদৃশ্যটাই নিজেই হারাম। তাদের শিরকী কর্মকাণ্ডসহ পালন করলে তো ঈমানই অবশিষ্ট থাকবে না।

ইসলামাইজেশনের লক্ষ্যে এ ধরনের উদযাপনের আরও বহু ক্ষতিকর দিক রয়েছে। পরবর্তী আলোচনায় ইমাম যাহাবী রহ. সেগুলোর দিকেও ইঙ্গিত করেছেন। তিনি লিখেন—“এ ধরনের সাদৃশ্যতার আরও নানা ক্ষতিকর দিক আছে। এর ফলে মুসলিম সন্তানরা এসব কুফরি উৎসবের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে বড় হবে। কারণ, এসব উৎসবে তারা বিনোদন, পোশাক- পরিচ্ছদ, খাদ্য-পানীয় এবং নানান আকর্ষণীয় আয়োজনের সাথে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে।” তাশাব্বুহুল খাসিস বিআহলিল খামিস ফি রাদ্দিত-তাশাব্বুহি বিল-মুশরিকীন, পৃ. ৩১

সুতরাং সারকথা হলো—সাধারণভাবে নববর্ষ পালন তো বৈধ নয়ই; বরং ‘ইসলামাইজেশন’-এর নামেও তা পালন করা বৈধ নয়। এ সিদ্ধান্ত কোনো ব্যক্তিগত মত নয়; বরং কুরআন-হাদীসের আলোকে প্রখ্যাত আলিমদের বিশ্লেষণ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

15 + fifteen =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য