ইনবক্সে কেউ একজন এই ছবিটা দিল। ছবিটার দিকে তাকাতে আঁতকে উঠলাম এটি কি কোনো স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে। এভাবে কি আপনার বোনকে কারো কাছে পড়তে পাঠাবেন!
মাদ্রাসার ছাত্রীরা বোরকা পরিহিতা তবে তাদের শিক্ষক নোংরা স্টাইলে বসে রয়েছে এমনকি মাঝখানে কাপড় টানানো পর্যন্ত নেই। অথচ প্রতিটি মহিলা মাদ্রাসায় এগুলো আবশ্যক।
বাংলাদেশের ১০০ ভাগ মহিলা মাদ্রাসার মধ্যে অধিকাংশেই এমন কর্মকাণ্ড চলছে। মাদ্রাসার ছাত্রীরা প্রতিনিয়ত এদের দ্বারা শারীরিকভাবে লা-ঞ্ছিত হচ্ছে। আত্মমর্যাদা আর পারিবারিক মূল্যবোধের কারণে কিছুই প্রকাশ করছে না।
মিডিয়ার কল্যাণে অনেক দিন পূর্বে তালাশ টিম মহিলা মাদ্রাসা নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি প্রকাশ করেন, সেখানে এর-শাদুল্লাহ নামক হুজুর রুপি এক ব্যক্তি কর্তৃক মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রীদেরকে এমন জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কের তথ্য সামনে আসে।
এমন চরিত্রের অনেক ব্যক্তিরা মাদ্রাসার পড়াশোনা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই মহিলা মাদ্রাসা খুলে বসেন। একদিকে যেমন টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে আর অপরদিকে এমন অ-নৈতিকতা করেই যাচ্ছে। আবার কেউ কেউ তো নিজের বাসাকেই মহিলা মাদ্রাসা বানাচ্ছে!
~ এইচ এম মাহমুদ হাসান মূসা!
