Wednesday, July 15, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরহরমুজের পর এবার ‘বাব আল-মান্দেব প্রণালি’ বন্ধের ইঙ্গিত ইরানের, ঝুঁকির মুখে বিশ্বের...

হরমুজের পর এবার ‘বাব আল-মান্দেব প্রণালি’ বন্ধের ইঙ্গিত ইরানের, ঝুঁকির মুখে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি জ্বালানি পরিবহনপথই

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল প্রায় অচল হওয়ার পর এবার লোহিতসাগরের প্রবেশদ্বার বাব আল-মান্দেব প্রণালিকেও কৌশলগত চাপের কেন্দ্রে পরিণত করার ইঙ্গিত দিচ্ছে ইরান। বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেনের হুতি মিত্রদের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌ চলাচল ব্যাহত করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর চাপ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে তেহরান। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই জ্বালানি পরিবহনপথই ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, ইয়েমেনের হুতি আন্দোলন আনসারুল্লাহর রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-ফারাহ সতর্ক করে বলেছেন, সৌদি আরব যদি ইয়েমেনে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখে, তাহলে বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। তাঁর দাবি, এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশ্লেষক ফাওয়াজ গেরগেসের মতে, তেহরান ওয়াশিংটনকে বোঝাতে চাইছে যে, প্রয়োজন হলে হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব; উভয় কৌশলগত জলপথেই একযোগে চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম তারা। এতে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার বড় সংকটে রূপ নিতে পারে। বিশ্লেষকদের ধারণা, তাৎক্ষণিক পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের সম্ভাবনার চেয়ে ধাপে ধাপে সংঘাত বিস্তারের ঝুঁকিই এখন বেশি। দুই পক্ষ সরাসরি যুদ্ধে না গিয়ে চাপ বাড়াতে থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

অন্যদিকে সৌদি আরবভিত্তিক গালফ রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান আবদুলআজিজ সাগের বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলো মনে করছে, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ ক্রমেই সীমিত হয়ে আসছে। তবে তাঁর মতে, তেহরানের সরাসরি নির্দেশ ছাড়া হুতিরা বড় ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি করবে না। আর আন্তর্জাতিক নৌপথে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের কঠোর সামরিক প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

6 − one =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য