وَعَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ عَدِيٍّ قَالَ: أَتَيْنَا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ فَشَكَوْنَا إِلَيْهِ مَا نَلْقَى مِنَ الْحَجَّاجِ. فَقَالَ: «اصْبِرُوا فَإِنَّهُ لَا يَأْتِي عَلَيْكُمْ زمَان إِلَّا الَّذِي بعده أشرمنه حَتَّى تَلْقَوْا رَبَّكُمْ» . سَمِعْتُهُ مِنْ نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ رواہ البخاری ۔ (صَحِيح) |
| ৫৩৯২-[১৪] যুবায়র ইবনু ‘আদী (রহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ-এর নির্যাতনের অভিযোগ করলাম। তখন তিনি বললেন, ধৈর্যধারণ কর যে পর্যন্ত না তোমরা তোমাদের রবের সাথে সাক্ষাৎ কর। কেননা আগামীতে তোমাদের ওপর যে সময় আসবে, তা অতীতের তুলনায় আরো খারাপ হবে। আমি এ কথাগুলো তোমাদের নবী (সা.) থেকে শুনেছি। (বুখারী)সহীহ: বুখারী ৭০৬৮, মুসনাদে আহমাদ ১২৩৬৯, আবূ ইয়া’লা ৪০৩৭, সহীহ ইবনু হিব্বান ৫৯৫২। ব্যাখ্যা: আলোচ্য হাদীসে নবী (সা.) -এর ওফাতের পর হতে দাজ্জালের আবির্ভাব পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে প্রত্যেক যুগেই তার পূর্ববর্তী যুগ হতে খারাপ হবে। তবে ‘ঈসা আলায়হিস সালাম-এর যুগে ব্যতিক্রম। ইমাম ত্ববারানী (রহিমাহুল্লাহ) তদীয় সুনানে উত্তম সনদে মাওকুফ সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসে এসেছে, তিনি বলেছেন, যে বছরই অতিক্রান্ত হবে তার পরবর্তী বছর হবে মন্দ। বিশুদ্ধ আরেকটি সনদে রয়েছে, গতকাল ছিল আজকের চেয়ে উত্তম, আজ আগামীকালের চেয়ে উত্তম, এমনিভাবে কিয়ামত পর্যন্ত সংগঠিত হতে থাকবে। (সহীহ সহীহুল বুখারী হা, ৭০৬৮) |
