বান্দার প্রতি আল্লাহ তাআলার অনেক বড় মেহেরবানি হচ্ছে বান্দা যত পাপই করুক না কেন, যত বড় পাপ-ই করুক না কেন, তিনি তাওবার দরজা খোলা রেখেছেন; বরং যারা বারবার আল্লাহ তাআলার কাছে তাওবাহ করে তিনি তাদেরকে ভালোবাসেন। তিনি বলেন,
إِنَّ ٱللَّهَ یُحِبُّ ٱلتَّوَّ ٰبِینَ
“নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তাওবাকারীকে ভালবাসেন”। [১]
এখানে التَّوَّاب মানে হচ্ছে যে অনেক বেশি তাওবাহ করে। আবার আল্লাহ তাআলাও হচ্ছে ٱلتَّوَّابُ অর্থাৎ যিনি অনেক বেশি তাওবাহ কবুল করেন। [২]
তিনি বান্দার আন্তরিক তাওবাহ এভাবে কবুল করেন যেন তার কোনো গুনাহই বাকি থাকে না। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
التَّائِبُ مِنَ الذَّنْبِ، كَمَنْ لَا ذَنْبَ لَهُ
“গুনাহ থেকে তাওবাহকারী এমন যেন তার কোনো গুনাহই নেই”। [৩]
কিন্তু এই বেনেফিট পেতে হলে অন্তরে থাকতে হবে আন্তরিক অনুশোচনা, অনুতাপ আর নিজেকে বদলে ফেলার দৃঢ় প্রয়াস। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
النَّدَمُ تَوْبَةٌ
“অনুশোচনাই তাওবাহ”। [৪]
এর বিপরীতে কারও মাঝে যদি থাকে হঠোকারিতা, অবাদ্ধতা, একগুঁয়ে মনোভাব এবং নিজের দোষ স্বীকার না করার প্রবণনা, সে কিভাবে তাওবার দরজা খুলবে?
[১) সূরা বাকারাহ: ২২২;
২) সূরা বাকারাহ: ৩৭;
৩) ইমাম ইবনু মাজাহ (রাহ.), আস সুনান, হা: ৪২৫০, শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে হাসান;
৪) ইমাম আহমাদ (রাহ.), আল মুসনাদ, হা: ৩৫৬৮, আল্লামা শুআইব আরনাউত্বের (রাহ.) মতে হাদিস সহীহ, সনদ হাসান]
