Saturday, April 18, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরএতিমের দায়িত্ব নেয়ার পর বরকতে ভরে গেছে সৌদি নারীর ঘর

এতিমের দায়িত্ব নেয়ার পর বরকতে ভরে গেছে সৌদি নারীর ঘর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সৌদি আরবে এতিম বাচ্চাকে লালন-পালনকারী এক নারীর মানবতার গল্পটির তুমুল চর্চা হচ্ছে। নুরা দাউদ নামের ওই নারী কয়েক বছর পূর্বে ‘আমাল’ নামের এক এতিম মেয়েকে সন্তান হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। নুরা দাউদ বলেন, আমালকে সন্তান হিসেবে গ্রহণ করার পূর্বে আমার নিজের কোনো সন্তান ছিল না। কিন্তু আমালের বরকতে আল্লাহ তায়ালা এখন আমাকে তিনটি সন্তানের নেয়ামত দান করেছেন।

আল আরাবিয়া ডটনেটের সাথে আলাপকালে নুরা দাউদ বলেন, এতিম বাচ্চাকে সন্তান হিসেবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য হলো- মানুষকে এতিম সন্তানের প্রতি সদয় ব্যবহারের লক্ষ্যে উদ্বুদ্ধ করা। নুরা দাউদ আমালকে শুধু সন্তান হিসেবে গ্রহণ করেই দায়িত্ব শেষ করেননি; বরং তার যথাযথ লালন-পালন, শিক্ষা-দীক্ষা ও চরিত্র গঠনের প্রতিও সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে নুরা দাউদকে দেখা যায়, তিনি আমালকে লালন-পালনের স্মৃতিগল্প শোনাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমার অভিজ্ঞতা ওই সময় শুরু হয়েছিল, যখন জানতে পারলাম আমি মা হতে পারব না, তখন একজন এতিম শিশুকে সন্তান হিসেবে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। আমালের বয়স ছিল তখন ৪ বছর।

সাক্ষাতকারে তিনি আরো বলেন, এর ১৪ বছর পর কোনো প্রকার চিকিৎসা ব্যতীত আল্লাহ তায়ালা আমাকে একটি মেয়ে দান করলেন। তার নাম রাখি ‘সারা’। এরপর ‘বারা’ নামে আরো এক মেয়ে দুনিয়াতে আসে। সাদ নামে তৃতীয় আরেকজন পুত্র সন্তান পৃথিবীর মুখ দেখে। সাদ এখনো ছোট। এতিম বাচ্চাকে ঘরে আনার পরেই আমার ঘর আনন্দ-সুখ ও বরকতে ভরপুর হয়ে গেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীরা নুরা দাউদের এই ভিডিওতে নিজেদের ভালোলাগার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। এতিম শিশুকে সুন্দরভাবে লালন-পালনের জন্য নুরা দাউদকে সবাই মোবারকবাদ জানিয়েছেন।

নুরা দাউদ বলেন, আমালের সাথে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সম্পর্ক অত্যন্ত আন্তরিক ও মোহাব্বতপূর্ণ। তার প্রতি সর্বদা আমার বিশেষ নজর ও মনোযোগ থাকে। এ কারণে আমাল সব সময় ভরসা পায়। আত্মমর্যাদায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। সবার সাথে স্কুলে যায়। এতিম হওয়ার অনুভূতি তাকে স্পর্শ করতে পারে না। সে আমার প্রকৃত সন্তান, আমি তার প্রকৃত মা।

সূত্র : আলআরাবিয়া

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

6 + 6 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য