Friday, April 24, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরকাবা প্রাঙ্গণে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাশ্রম

কাবা প্রাঙ্গণে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাশ্রম

শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বেচ্ছাসেবামূলক স্পৃহা বাড়াতে পবিত্র মসজিদুল হারামের মুসল্লিদের সেবায় অংশ নিয়েছেন মক্কার ঐতিহ্যবাহী মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। কাবাঘর প্রাঙ্গণের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সুগন্ধি ছড়ানো কর্মসূচি, মুসল্লিদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ, বয়স্ক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য হুইল চেয়ার ব্যবস্থা, জট কমানোসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করেছেন তাঁরা। গত মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) মক্কার ঐতিহ্যবাহী আবদুর রহমান ফকিহ মাদরাসা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের অভ্যর্থনা জানান স্বেচ্ছসেবা সমন্বয় বিভাগের উপসহকারী পরিচালক আদিল রাজাউল্লাহ আল-জুহানি।

জেনারেল প্রেসিডেন্সির ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদের জেনারেল প্রেসিডেন্সি বিভাগ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বেচ্ছাসেবামূলক মনোভাব তৈরিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীদের পবিত্র কাবাঘর প্রাঙ্গণে স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমের সঙ্গে পরিচিত করা হয়।
স্বেচ্ছাসেবা বিভাগের পরিচালক আদিল আল জুহানি জানান, পবিত্র কাবা প্রাঙ্গণের মুসল্লিদের স্বেচ্ছাসেবায় অংশ নিয়েছেন মক্কার মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। তাদের কাছে মসজিদের স্বেচ্ছাসেবা কার্যক্রম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরা হয়। এরই মধ্যে তারা তাওয়াফ প্রাঙ্গণ ধৌতকরণ, জায়নামাজ পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি ও মুসল্লিদের বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম পালন করেছেন। শিক্ষার্থীরা পবিত্র মসজিদুল হারামে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে অংশ নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং জেনারেল প্রেসিডেন্সি বিভাগের প্রধান শায়খ ড. আবদুর রহমান আল সুদাইসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উপহার দেওয়া হয়।

এদিকে মক্কার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৭ শিশু পবিত্র মসজিদুল হারাম পরিচিতিমূলক পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তারা পবিত্র কাবাঘর, সাফা-মারওয়াসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তাদের সামনে মসজিদে প্রবেশের শিষ্টাচার, কাবাঘর নির্মাণ ও জমজম পানির ইতিহাস সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। নারী স্বেচ্ছাসেবা সংস্থার শিশু বিভাগের প্রধান জাহরা বিনতে আলী আল-আসমারি শুভেচ্ছা জানিয়ে তাদের হাতে উপহার তুলে দেন।

সূত্র : হারামাইন ওয়েবসাইট

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

two × 3 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য