Saturday, April 18, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরখরচ বাঁচাতে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’র পথে হাঁটতে পারে ভারত!

খরচ বাঁচাতে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’র পথে হাঁটতে পারে ভারত!

ভারতে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’র পক্ষে নিজেদের মত প্রকাশ করেছেন দেশটির শিল্পপতিদের একাংশ। এই বিষযয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটির সাথে শুক্রবার এক বৈঠক করেছে বেসরকারি শিল্প সংস্থারগুলোর সংগঠন কনফেডরেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজ (সিআইআই)। সেই বৈঠকে সংস্থার ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’র পক্ষেই মত প্রকাশ করেছেন।


সংগঠনের মতে, এর ফলে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়েরই নির্বাচন বাবদ ব্যয় প্রায় অর্ধেক কমবে। দেশের আর্থিক এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থারও উন্নতি হবে।

বৈঠকের পর সিআইআই-এর এক প্রবীণ সদস্য বলেন, ‘একাধিক নির্বাচন ফলে নীতি প্রণয়ণ এবং প্রশাসনিক কার্যকলাপে ব্যাঘাত ঘটে। তাছাড়া ভোটের কাজে সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে নেয়ার ফলে প্রশাসনিক কাজকর্মেও বাধা পড়ে।’

প্রতিনিধি দলে ছিলেন সিআইআই-এর সভাপতি আর দীনেশ এবং ডিরেক্টর জেনারেল চন্দ্রজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তারা উচ্চ পর্যায়ের কমিটির কাছে সংস্থার মত জানান। সংস্থাটি জানায়- ২০১২ সালেও তারা একসাথে সমস্ত নির্বাচন করার পক্ষে মত প্রকাশ করেছিল।

সংগঠনটির প্রতিনিধিরা জানান, একাধিক নির্বাচনে শুধু অর্থের ‘অপচয়’। এর ফলে কোনো প্রকল্পের কাজও স্থগিত হয়ে থাকে। কিন্তু সেই জায়গায় একই সময়কালে একটি নির্বাচন হলে, কেন্দ্র এবং রাজ্যের খরচ অর্ধেক কমবে। এছাড়া উৎপাদন ক্ষেত্রে ক্ষতিও অনেকটা এড়ানো যাবে।

একটি নির্বাচন হলে কিভাবে খরচ কমতে পারে- তার সব দিক খতিয়ে দেখেছে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। সিআইআই-এর প্রতিনিধি আরো জানিয়েছে, যদি প্রতি পাঁচ বছর অন্তর একটি করে নির্বাচন হয় বা আড়াই বছরের ব্যবধানে দুটি নির্বাচন একযোগে হয়, তবে তার প্রভাব দেশের অর্থনীতি এবং প্রশাসনের কার্যাবলীতে পড়বে।

ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে এই উচ্চ পর্যায়ের কমিটি যোধপুরের একটি বেসরকারি হোটেল কমিটি পঞ্চম সরকারি বৈঠকটি করেন। যে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান এন কে সিং, লোকসভার সাবেক মহাসচিব ডঃ সুভাষ সি কাশ্যপ এবং সাবেক চিফ ভিজিলেন্স কমিশনার সঞ্জয় কোঠারি।

এদিকে, এক দেশে এক নির্বাচন সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে আগামী সোমবার দিল্লি যাবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাকে একদিনের জন্য দিল্লি যেতে হবে। তবে রাজনীতির জন্য নয়। “ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন” নিয়ে ওরা আমার মত জানতে চায়। তাই আমি ৫ তারিখ সন্ধ্যায় যাব, ৬ তারিখ বেলা ২টায় মিটিং করব। তারপর সন্ধ্যায় ফিরে আসব। কারণ ৮ তারিখ আমার বাজেট আছে।’

এক দেশ, এক নির্বাচন কী?
‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ ধারণাটির মূল নির্যাস হচ্ছে, গোটা ভারতে একযোগে নির্বাচনের আয়োজন। দেশটিতে বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন সময়ে বিধানসভা নির্বাচন হয় এবং সারা দেশে লোকসভা ভোটের দিনটিও আবার আলাদা। কিন্তু এক দেশ, এক নির্বাচনের মানে হচ্ছে যে, সারা ভারতজুড়ে লোকসভা এবং সমস্ত রাজ্যজুড়ে বিধানসভার নির্বাচন একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে প্রতিটি রাজ্যের বিধানসভা এবং লোকসভার নির্বাচন পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত হয়। কারণ সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার দিনটি প্রতিক্ষেত্রেই আলাদা। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

four + twenty =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য