গাজায় আরো মানবিক ত্রাণ রোববার প্রবেশ করেছে। তবে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসঙ্ঘের যে ত্রাণ সংস্থা আছে, তারা সতর্ক করেছে যে বুধবার পর্যন্ত জ্বালানী শেষ হয়ে যাবে। হামাস উগ্রবাদীদের ওপর ইসরাইলি বিমান হামলা এবং সম্ভাব্য স্থল আক্রমণ পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে।
ওই সংস্থার কমিশনার জেনারেল ফিলিপ লাজারিনি বলেন, জ্বালানী ছাড়া কোনো পানি থাকবে না, হাসপাতাল এবং বেকারি চলবে না, যাদের ত্রাণ প্রয়োজন, তাদের কাছে ত্রাণ পৌঁছোবে না, কোনো মানবিক সাহায্য দেয়া যাবে না।
তিনি বলেন, ওই সংস্থা বর্তমানে গাজার গৃহহীন প্রায় ১০ লাখ মানুষের মধ্যে পাঁচ লাখ মানুষকে সাহায্য করছে। গাজার মানুষ, যাদের প্রয়োজন প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়ছে, জ্বালানী ছাড়া আমরা তাদের সাহায্য করতে পারবো না। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে গাজায় জ্বালানী সরবরাহের অনুমতি দেবার জন্য সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
সংস্থাটি বলছে, শনিবার (৭ অক্টোবর) হামাসের হামলার পর থেকে তাদের ২৯ জন কর্মী নিহত হয়েছে। ইসরাইলে হামাসের ওই হামলায় এক হাজার চার শ’ মানুষ নিহত হয়।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলছেন, ইসরাইলের পাল্টা হামলায় প্রায় চার হাজার চার শ’ মানুষ নিহত হয়েছে।
সূত্র : ভয়েস অব আমেরিকা
