Thursday, April 16, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরপুনরুজ্জীবনের পথে ঢাকার নদী-খাল

পুনরুজ্জীবনের পথে ঢাকার নদী-খাল

নদীঘেরা ঢাকা একসময় পরিচিত ছিল প্রাচ্যের ভেনিস নামে। দখল-দূষণে নদীগুলো বিপন্নপ্রায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নদ-নদী দখলমুক্ত করতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একসময় ঢাকা শহরের ভেতরে ছিল অনেক খালও। একে একে সেসব খাল হয়ে যায় বেদখল। ওয়াসার কাছ থেকে খালের দায়িত্ব বুঝে পেয়ে এ বছরের শুরুতেই সেগুলো পুনরুদ্ধারে নামে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। ‘সকালে উচ্ছেদ, বিকালে দখল’ এমন চোর-পুলিশ খেলা বন্ধ করতে মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান প্রান্তে তুরাগতীরে করা হয়েছে ওয়াকওয়ে। নিচে ৬০ ফুট গভীর পিলার আর ওপরে ৮ ফুট চওড়া হাঁটার পথ। দুই পাশে থাকছে উঁচু রেলিং। ৫২ কিলোমিটারের মধ্যে এখন দৃশ্যমান প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে। এ ছাড়া সাড়ে ৭ হাজার স্থায়ী সীমানা পিলারের মধ্যে বসানো হয়েছে ৩ হাজারেরও বেশি। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে অভিযান শুরু করে গত ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা নদীবন্দরে উচ্ছেদ করা হয়েছে ৭ হাজার ৫৩৫টি স্থাপনা। তীরভূমি উদ্ধার করা হয়েছে ১৭৯ দশমিক ৭৫ একর। এ ছাড়া ৫০০ টন বর্জ্য অপসারণ এবং এক লাখ ঘন ফুট বালু উত্তোলন করেছে বিআইডব্লিউটিএর অভিযানকারী দল। —— ঢাকার চারপাশের চারটি নদী (বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগ) দূষণমুক্ত করতেও পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। এজন্য রায়েরবাজার এলাকায় ১ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পয়োঃশোধনাগার নির্মাণ করা হবে। নদী দূষণরোধ ও পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য এ প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। রায়েরবাজার, হাজারীবাগ, মোহাম্মদপুর, বসিলা, কল্যাণপুর, শ্যামলী ও তার নিকবর্তী এলাকায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ৫৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৬ দশমিক ২২ একর ভূমি অধিগ্রহণ, ৭০ কোটি টাকার ভূমি উন্নয়ন, ২১৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ কাজ করা হবে। এছাড়া সীমানা পিলারসহ নির্মাণ করা হবে কাঁটাতারের বেড়া। কামরাঙ্গীচরে উন্নয়নের বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট পরিকল্পনায় তিনটি প্রকল্প নিয়েছে সংস্থাটি। এর মধ্যে চলমান আছে কামরাঙ্গীচরে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনরুদ্ধার প্রকল্পটি। উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে অবহেলিত এ জনপদ অভিজাত এলাকায় রূপ নেবে বলে মনে করছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা। ডিএসসিসি সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট পরিকল্পনায় বুড়িগঙ্গা ও কামরাঙ্গীচর ঘিরে তিনটি প্রকল্প নিয়েছে করপোরেশন। সেগুলো হলোÑ রিজেনারেশন অব বুড়িগঙ্গা ওল্ড চ্যানেল অ্যাট কামরাঙ্গীচর আন্ডার ঢাকা সাউথ সিটি করপোরেশন, ডিএসসিসির আওতাধীন কামরাঙ্গীচর নতুন শহর আধুনিকায়ন উন্নয়ন প্রকল্প এবং বুড়িগঙ্গার জমি অবমুক্তি, রাস্তা ও নান্দনিক পার্ক নির্মাণ প্রকল্প। এই তিনটি প্রকল্পের জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেটে ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে ডিএসসিসি। এর মধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে কামরাঙ্গীচরে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনরুদ্ধার প্রকল্পের। প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেলটি উদ্ধার করে সচল করা হবে। সেখানে পানির প্রবাহ নিশ্চিত করা হবে। চ্যানেলের চারপাশে নির্মাণ করা হবে সড়ক। সড়কের দুপাশে সবুজায়ন করা হবে। পথচারীদের জন্য থাকবে বসার ব্যবস্থা। হাতিরঝিলের মতো দৃষ্টিনন্দন সেতু নির্মাণ করা হবে। গড়া হবে বিনোদন স্পটও। এ ছাড়া ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে বুড়িগঙ্গার আশপাশ এলাকার পানি পরিশোধিত হয়ে বুড়িগঙ্গায় পড়বে। পানির দুর্গন্ধ দূর করার কাজও করা হবে, যেন ভ্রমণপিয়াসী লোকজন নির্মল বাতাস নিতে পারে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান সম্প্রতি প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, ‘ডিএসসিসির মেয়রের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। কারণ ওই এলাকাটি জনবসতিপূর্ণ। আদি চ্যানেলের অনেকাংশ বেদখল হয়েছে। এগুলো পুনরুদ্ধার করে গণমুখী ডিজাইন সাজাতে হবে।’ তিনি জানান, এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকার বড় অংশের পানি নিষ্কাশন সমস্যার সমাধান ঘটবে। একই সঙ্গে আদি চ্যানেলের দুপাশের আধুনিকায়ন হবে এবং উন্নয়ন ঘটবে আশপাশের পরিবেশের। এভাবে অন্যান্য খাল বা পানি নিষ্কাশন চ্যানেলগুলো উদ্ধার করলে রাজধানীর পানি নিষ্কাশন সমস্যার সমাধান ঘটবে। জানা গেছে, ঢাকা ওয়াসার অধীনে ছিল রাজধানীর ২৬টি খাল। তবে সম্প্রতি ঢাকা ওয়াসা খালগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে। ২৬টি খালের দায়িত্ব পেয়ে দুই সিটি করপোরেশন মহাপরিকল্পনা নিয়েছে। প্রথমে রাজধানীর চার খাল উদ্ধার করে সেগুলোকে দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তুলতে ৯৮১ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছে ডিএসসিসি। উদ্ধার করে দুই পাড়ে বানানো হবে ওয়াকওয়ে, বাইসাইকেল লেন, মাছ ধরার শেড, বাগান, ফোয়ারা, ফুটওভার ব্রিজ, ইকোপার্ক, পাবলিক টয়লেট, খেলার মাঠ। প্রকল্পটি এরই মধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে সংস্থাটি। প্রকল্পের নাম রাখা হয়েছে ‘জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি’। এ ছাড়া ধোলাইখালের বক্স কালভার্ট, পান্থপথের বক্স কালভার্ট ও সেগুনবাগিচা বক্স কালভার্ট পরিষ্কার ও পলি অপসারণের জন্য নিজস্ব অর্থায়নে ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্পও নেওয়া হচ্ছে। খাল থেকে আবর্জনা অপসারণের জন্য রয়েছে ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প। এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শামসুল হক সাংবাদিকদের বলেছেন, সিটি করপোরেশেনের বিনিয়োগযোগ্য প্রজেক্টের চেয়ে মেইনটেইন্যান্স কীভাবে করতে হবে সে বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। পৃথিবীর যেকোনো দেশে মেয়রের অধীনে স্বতন্ত্র একটি ইউনিট থাকে। আমাদেরও সেদিকেই যেতে হবে। প্রজেক্ট যেভাবেই করা হোক না কেন, সেটা প্রজেক্ট হবে। কিন্তু ধরে রাখার জন্য বিশেষায়িত ইউনিট না থাকলে বদনাম ছাড়া আর কিছু হবে না। স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, ‘খাল রক্ষণাবেক্ষণ ঠিকভাবে করলে তা সম্পদে পরিণত হবে। মূল ব্যাপার হলো মান্ডা প্রকল্পের খালগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে অনেক দিন আগের। খালগুলো যদি যুক্ত না করা হয় এই বন্যা শান্তিনগর থেকে রাজারবাগ, রাজারবাগ থেকে আরেকটু সামনে গিয়ে কোথাও না কোথাও হচ্ছে। আসলে নদীর সঙ্গে সংযোগটা স্থাপন করাটা সবচেয়ে আগে দরকার। এরপরে দরকার হবে সেটিকে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা। পয়োবর্জ্য, মানববর্জ্য থেকে শুরু করে সব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা। এটা হলে এই খাল জনগণের সম্পদে পরিণত করা সম্ভব হবে।’ ডিএসসিসি সূত্রে জানা যায়, বড়সড় এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে পরিবেশের উন্নয়নে খালগুলোর পানি প্রবাহ ঠিক রাখা, খালে ময়লা-আবর্জনা না ফেলার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ, পানির প্রবাহ ঠিক রাখার মাধ্যমে মশার প্রজনন বন্ধ করা, ওয়াকওয়ে নির্মাণ, গ্রিনবেল্ট ও বসার স্থান বানিয়ে বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি, জলাশয়ে মাছ চাষের পাশাপাশি নৌচলাচলের ব্যবস্থা করা। সূত্র মতে, কালুনগর, জিরানী, মান্ডা ও শ্যামপুর খালের জন্য প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অঞ্চল-৩-এর কালুনগর খালটি শহীদ বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিব সরকারি মহাবিদ্যালয় থেকে রায়েরবাজার সøুইচ গেট পর্যন্ত বিস্তৃত। এর দৈর্ঘ্য ৩ কিলোমিটার ও গড় প্রস্থ ১২ মিটার। অঞ্চল-৬-এর জিরানী খালের (নন্দিপাড়া ব্রিজ ত্রিমহোনী) দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ২০ মিটার। এটি ৭৫, ৭৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডে পড়েছে। অঞ্চল-৭-এর মান্ডা খালের দৈর্ঘ্য ৮ দশমিক ২ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ২৫ মিটার। এটি ডিএসসিসির ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৫ ও ৭নং ওয়ার্ডে। অঞ্চল-১০-এর শ্যামপুর খালের দৈর্ঘ্য ৫ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১২ মিটার। এটি পড়েছে ৫৮ ও ৫৯নং ওয়ার্ডে। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৮০ কোটি ৯১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। রাজস্ব খাত হতে আসবে ২৫ কোটি ৯৮ লাখ। যা মোট ব্যয়ের ২ দশমিক ৬৫ শতাংশ। বাকিটা আসবে মূলধন খাত হতে। কালুনগর খালের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭১ কোটি ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। জিরানী খালের ব্যয় ২১৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা। মান্ডা খালের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা। শ্যামপুর খালের জন্য ২৩০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। কনসালটেন্সি ফার্মের জন্য রাখা হয়েছে ১৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। কালুনগর খাল উন্নয়ন পরিকল্পনায় থাকছে নান্দনিক ৫০০টি বাতি, ২৫০টি সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল, দুই কিলোমিটার ড্রেনেজ স্ট্রাকচার, ড্রেনেজ লাইনসহ সুয়ারেজ ফিলটারিং সিস্টেম, আট হাজার ঘনমিটার জলাশয়, খালের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা, ৪০ হাজার ঘনমিটার জলাশয় ও খালের নিচের পলি অপসারণ, প্রকল্প চলাকালীন ২৫০ মিটার নিকটবর্তী স্থাপনার সুরক্ষা, ৪০ হাজার ঘনমিটার ভূমি উন্নয়ন কাজ, ৩০ হাজার বর্গমিটার এলাকা সবুজায়ন ও ল্যান্ডস্কেপিং। আরো থাকবে ১০ হাজার বর্গমিটার বাগান, ১০ হাজার বৃক্ষরোপণ, পাঁচ কিলোমিটার দৃষ্টিগোচর সুরক্ষা বেষ্টনী (আট ফুট উঁচু), ২০ হাজার বর্গমিটার ওয়াকওয়ে, বাইসাইকেল লেন, দুটি ফুডকোর্ট ও কফিশপ, দুটি প্লাজা, ৮০টি বসার বেঞ্চ ও শেড, ২০০টি স্থানে ওয়েস্টবিন স্থাপন, দুটি সাইট দর্শনের স্থান, পাঁচ হাজার বর্গমিটার ইকোপার্ক ও শিশুদের খেলার জায়গা। এ ছাড়া থাকবে দুটি পাবলিক টয়লেট, দুটি পার্কিং ব্যবস্থা, দুটি ব্যায়াম করার শেড, ৩০ হাজার বর্গমিটার সুরক্ষা দেয়াল, ৫০০ ঘনমিটার আরসিসি রিটেনিং ওয়াল, ৩০০ বর্গমিটার শোর প্রোটেকশন সবুজায়ন, একটি ফুটওভার ব্রিজ, অর্ধ কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ রোড, দুটি সইচ গেট, দুটি পাম্প হাউস ও একটি ফোয়ারা। জিরানী খালে থাকবে নান্দনিক ১ হাজার বাতি, ৫০০টি সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল, ৩ কিলোমিটার ড্রেনেজ স্ট্রাকচার, ড্রেনেজ লাইনসহ স্যুয়ারেজ ফিল্টারিং সিস্টেম, ৬ হাজার ঘনমিটার জলাশয়। কালুনগরের মতো এ খালেও আবর্জনা অপসারণ, পলি অপসারণ, ভূমি উন্নয়ন, সবুজায়ন ও ল্যান্ডস্কেপিং করাসহ বাদ বাকি সুযোগ-সুবিধা রাখা হবে। মান্ডা খালে থাকবে ১ হাজার ৮০০টি নান্দনিক বাতি ও ৮০০টি সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল। এ ছাড়া কালুনগর খালের মতো এখানেও সব সুযোগ-সুবিধা রাখা হবে। শ্যামপুর খাল নিয়েও পরিকল্পনা প্রায় একই। তবে এখানে সবুজায়ন হবে ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে। যথারীতি থাকছে ওয়াকওয়ে, ফুডকোর্ট, প্লাজা বেঞ্চ-শেড, ইকো পার্ক ও শিশুদের খেলার স্থানসহ বাকি সব সুবিধা। প্রকল্প পরিচালক ও ডিএসসিসির প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকার জলাবদ্ধতা তো যাবেই, শহরের চেহারাও বদলে যাবে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

7 − two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য