عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «فَصْلُ مَا بَيْنَ صِيَامِنَا وَصِيَامِ أَهْلِ الْكِتَابِ أَكْلَةُ السَّحَرِ» . رَوَاهُ مُسلم
’আমর ইবনুল ’আস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাদের ও আহলে কিতাবদের (ইয়াহূদী ও খৃষ্টান) সওমের মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরীর। (মুসলিম)[1]
[1] সহীহ : মুসলিম ১০৯৬, আবূ দাঊদ ২৩৪৩, তিরমিযী ৭০৯, মুসান্নাফ ‘আবদুর রাযযাক ৭৬০২, ইবনু আবী শায়বাহ্ ৮৯১৫, আহমাদ ১৭৭৬২, ১৭৭৭১, ১৭৮০১, ইবনু খুযায়মাহ্ ১৯৪০, ইবনু হিববান ৩৪৭৭, দারিমী ১৭৩৯, আল আওসার লিত্ব ত্ববারানী ৩২০৮, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৮১১৫, সহীহ আত্ তারগীব ১০৬৪, সহীহ আল জামি‘ ৪২০৭, নাসায়ী ২১৬৬।
ব্যাখ্যা: সাহরী খাওয়াটাই আমাদের সিয়াম পালন আর আহলে কিতাবদের সিয়াম পালনের মধ্যে পার্থক্য। কেননা আল্লাহ তা‘আলা আমাদের জন্য ফজরের আগ পর্যন্ত পানাহার বৈধ করেছেন যদিও ইসলামের সূচনাতে আমাদের জন্যও তা হারাম ছিল। পক্ষান্তরে আহলে কিতাবদের জন্য ইফতারের পর ঘুমিয়ে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত খাওয়া পান করা বৈধ থাকলেও ঘুমানোর পর থেকে তাদের জন্য তা হারাম ছিল। তাদের সাথে আমাদের ভিন্নতা এই যে, এ বিশেষ নিয়ামতের কারণে আমরা তার শুকরিয়া আদায় করব যা থেকে তারা বঞ্চিত।
