عَن جَابر قَالَ: شَهِدْتُ الصَّلَاةِ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي يَوْمِ عِيدٍ فَبَدَأَ بِالصَّلَاةِ قَبْلَ الْخُطْبَةِ بِغَيْرِ أَذَانٍ وَلَا إِقَامَةٍ فَلَمَّا قَضَى الصَّلَاةَ قَامَ مُتَّكِئًا عَلَى بِلَالٍ فَحَمَدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ وَوَعَظَ النَّاسَ وَذَكَّرَهُمْ وَحَثَّهُمْ على طَاعَته ثمَّ قَالَ: وَمَضَى إِلَى النِّسَاءِ وَمَعَهُ بِلَالٌ فَأَمَرَهُنَّ بِتَقْوَى الله ووعظهن وذكرهن. رَوَاهُ النَّسَائِيّ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ঈদের সালাতে উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুতবার আগেই আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত) ছাড়া সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) শুরু করে দিলেন। সালাত শেষ করার পর তিনি বিলালের গায়ে ভর করে দাঁড়ালেন। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলার মহত্ত্ব ও গুণ গরীমা বর্ণনা করলেন। লোকদেরকে উপদেশ বাণী শুনালেন। তাদেরকে আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন। আল্লাহর আদেশ নিষেধ অনুসরণ করার প্রতি অনুপ্রেরণা যোগালেন। তারপর তিনি মহিলাদের দিকে এগিয়ে গেলেন। তাঁর সাথে ছিলেন বিলাল। তাদেরকে তিনি আল্লাহর ভয়-ভীতির কথা বললেন, ওয়াজ করলেন। পরকালের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন। (নাসায়ী)[1]
[1] সহীহ : নাসায়ী ১৫৭৫, আহমাদ ১৪৪২০, ইবনু খুযায়মাহ্ ১৪৬০, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৬১৯৮।
ব্যাখ্যা: এ হাদীসে প্রমাণিত হয়, খতীব সাহেবের উচিত ধনুক নেয়া ও লাঠির উপর ভর দিবে বা কোন মানুষের উপর। আর প্রমাণ করে হাদীস মহিলাদের জন্য ঈদগাহে পৃথক ব্যবস্থা থাকতে হবে যাতে পুরুষদের সাথে মেলামেশার সুযোগ না থাকে।
‘ওয়াজ করতেন’ মুসলিমের রিওয়ায়াতে এসেছে যে, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর প্রশংসা করলেন, অতঃপর উৎসাহ প্রদান করলেন তার অনুগতদের আর বললেন, হে মহিলা সকল! তোমরা দান কর কেননা তোমরা জাহান্নামের আগুনে প্রজ্জ্বলিত হবে। অতঃপর বংশের মর্যাদায় তত উচ্চ না এবং দু’গাল ঝলসানো একজন মহিলা বলল, হে আল্লাহর রসূল! কারণ কী? তিনি জবাবে বললেন, তোমরা বেশি বেশি অভিযোগ কর এবং আপনজন তথা স্বামীর অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। অতঃপর তারা মহিলারা তাদের গলার হার কানের দুল এবং আংটি খুলে বিলালের কাপড়ে জমা করতে লাগলেন দানের উদ্দেশে।
