সাম্প্রতিক সময়ে আবারও আলোচনায় এসেছে ধর্মীয় নেতা আতাউর রহমান বিক্রমপুরী এবং আইনুল হক কাসেমী।

১২ ফেব্রুয়ারী সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ায় সমর্থক, ছাত্র ও সাধারণ মানুষের মধ্যে মুক্তির দাবী নতুন করে আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন প্রতিবাদ ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
আইনুল হক কাসেমীকে প্রথম আলো কেন্দ্রীক একটি ফেসবুক পোস্টের কারণে গ্রেপ্তার করা হয়।
আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে (সমর্থকরা দাবী করেন) তিন মাসের আটকাদেশ দেয়া হয়
তখন বিক্রমপুরী,কাসেমীসহ সকল মজলুম আলেমের মুক্তি ও শহীদ হাদী হত্যার বিচারের দাবীতে বাইতুল মোকাররমে মানববন্ধন করা হয়

তাদের মুক্তির ব্যাপারে রাস্ট্র পদক্ষেপ না নেওয়ায় ১২ ফেব্রুয়ারির পর আবারো সরব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেগুলো
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখা হয়েছে:
“হে ডিপস্টেইট, এবার Ainul Haque Qasimi, Ataur Rahman Bikrompuri (ফাকাল্লাহুম আসরাহ) দের মুক্তি দিন। আপনারা তাদের আটকে রেখে কী করবেন? ওনাদের দাওয়াতি ময়দানে ফেরত যাওয়ার সুযোগ দিন। তারা নির্বাচনে অংশ নেননি, বাধা দেননি। ভাইদের সবাই আওয়াজ তুলুন।”
