Wednesday, June 3, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিকমধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে শুরু করেছে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে শুরু করেছে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

বেশ কয়েকদিন ধরে চলা আলোচনার মধ্যেই এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার মধ্যপ্রাচ্যে আসতে শুরু করেছেন। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যে গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানান।

এই প্যারাট্রুপাররা নর্থ ক্যারোলাইনার ফোর্ট ব্র্যাগ থেকে রওনা হয়েছেন। তাঁরা ওই অঞ্চলে আগে থেকেই মোতায়েন থাকা অতিরিক্ত নাবিক, মেরিন ও ‘স্পেশাল অপারেশন্স ফোর্স’–এর সঙ্গে যুক্ত হবেন। এ সপ্তাহান্তে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মেরিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কর্মকর্তারা সেনাদের নির্দিষ্ট মোতায়েনস্থল জানাননি। তবে এ ধরনের পদক্ষেপ প্রত্যাশিত ছিল বলে উল্লেখ করেন।

একটি সূত্র জানায়, ইরানে সেনা পাঠানোর বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য অভিযানের জন্য সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, মোতায়েন করা সেনাদের ইরান যুদ্ধের বিভিন্ন লক্ষ্যে ব্যবহার করা হতে পারে। এর মধ্যে খারগ দ্বীপ দখলের চেষ্টাও থাকতে পারে। ইরানের ৯০ শতাংশ তেল এই দ্বীপ থেকে রপ্তানি হয়। এদিকে এ মাসের শুরুর দিকে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, খারগ দ্বীপ দখলের সম্ভাব্য অভিযান নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। তবে এ ধরনের পদক্ষেপ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মাধ্যমে দ্বীপটিতে আঘাত হানতে সক্ষম।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ভেতরে স্থলসেনা পাঠিয়ে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উদ্ধার করার বিষয়েও আলোচনা করেছে। এ ক্ষেত্রে মার্কিন সেনাদের আরও ভেতরে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য ইরানে অবস্থান করতে হতে পারে। এ ছাড়া ইরানের ভেতরে সেনা মোতায়েন করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের ট্যাংকারের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।  যদিও যুক্তরাষ্ট্র মূলত বিমান ও নৌবাহিনী ব্যবহার করে এই অভিযান পরিচালনা করবে, তবে পরবর্তীতে মার্কিন সেনাদের ইরানের উপকূলে মোতায়েন করা হতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

20 − six =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য