পশ্চিমা বিশ্বের দ্বিমুখী নীতি প্রবল হয়ে উঠছে ফিলিস্তিন ইসরায়েল ইস্যুতে। ইউক্রেনে রাশিয়ায় হামলায় পশ্চিমারা যেমন তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল। ফিলিস্তিন ইস্যুতে সেই চিত্র উল্টে গেছে। ইসরায়েল গাজায় হাজার হাজার শিশুদের হত্যার পরও এ বিষয়ে অনেকটাই নিরব পশ্চিমারা। তবে বিশ্ব যে অবস্থান নিক না কেন গাজাবাসী মরে গেলেও তাদের জায়গা থেকে পালাতে রাজি নয়।
আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ১৯৪৮ সালে সাত লাখ ২০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছিল। যেসব এলাকা থেকে ফিলিস্তিনিরা চলে গিয়েছিল, সেসব এলাকার দখল নিয়েছিল ইসরায়েল। গাজায় বর্তমান ২১ লাখের বেশি বাসিন্দার মধ্যে বাস্তুচ্যুত ওই ফিলিস্তিনিদের উত্তরসূরীর সংখ্যাই ১৭ লাখ।
১৯৪৮ সালে আবু সাদার পরিবারকে বর্তমান দক্ষিণ ইসরায়েল থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়। শুধু যে আবু সাদার পরিবারকে বের করে দেওয়া হয়েছিল তা নয়, তার মতো আরো বহু পরিবারকে নিজেদের বসতি ছাড়তে বাধ্য করেছিল দখলদার ইসরায়েল। এরপর তারা গাজার ঠিক উত্তরে জাবালিয়া শহরে নতুন করে বসতি স্থাপন করে।
এ ঘটনার ৭৫ বছর পর এবার ইসরায়েলি বাহিনীর নজর এখন এই শহরটিতেও। আবু সাদার উত্তরসূরীসহ এখানকার সব বাসিন্দাকে এলাকা ছাড়তে বলেছে ইসরায়েল। গাজার চারপাশজুড়ে বৃষ্টির মতো বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। হামলায় এ শহরের একটি পরিবারের ১০ সদস্য নিহত হয়েছেন। এরপরেও পরিবারটি নিজেদের ভিটা ছাড়তে নারাজ।
