Tuesday, April 21, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরমসজিদুল হারামে নতুন মিম্বার

মসজিদুল হারামে নতুন মিম্বার

হিজরি নববর্ষে পবিত্র মসজিদুল হারামে নতুন মিম্বার সংযুক্ত করা হয়েছে। গত শুক্রবার (২১ জুলাই) ১৪৪৫ হিজরির প্রথম জুমার খুতবা নতুন এই মিম্বারে দেওয়া হয়। নতুন এই মিম্বারের সাজসজ্জায় কিছুটা নতুনত্ব রয়েছে। এতে রয়েছে মসজিদুল হারামের নতুন সমপ্রসারিত আর-রুওয়াক অংশের স্থাপত্যশৈলীর ছাপ।কাঠের তৈরি সাদা রঙের এই মিম্বারে দুটি সিঁড়ি রয়েছে। আর তৃতীয় স্তরটি ইমামের বসার স্থান। চারপাশের চারটি খুঁটির ওপর তা তৈরি করা হয়। আর ওপরে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন ছাদ।

এর চারপাশের সোনালি রং দিয়ে আটবার ‘আল্লাহু’ লেখা হয়। সূর্যের আলোতে তা ঝলঝল করতে থাকে। ছাদের ওপর রয়েছে সোনালি রঙের তারকা। আর সামনের দিকে একটি ছোট দরজা আছে।

সাধারণত পবিত্র মসজিদুল হারামের মিম্বার তিন স্তরের হয়ে থাকে। এর উচ্চতা ৩.০৪ মিটার ও প্রস্থ ১.২০ মিটার।

0

সব মসজিদে জুমার খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বার ব্যবহার করা হয়। মিম্বার সাধারণত মেঝে থেকে কয়েক ধাপ উঁচু হয়ে থাকে। তবে ছোট আকারের মিম্বারও দেখা যায়।

মিহরাবের ডান পাশে মিম্বার স্থাপন করা হয়। রাসুল (সা.) তিন ধাপবিশিষ্ট মিম্বার ব্যবহার করতেন। হাদিসে মিম্বার ব্যবহারের কথা এসেছে। আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুল (সা.) জুমার দিনে মসজিদের একটি কাষ্ঠখণ্ডের সঙ্গে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে মানুষের উদ্দেশে খুতবা দিতেন। রোম বংশোদ্ভূত এক লোক এসে বলল, আমি আপনাকে এমন কিছু বানিয়ে দেব, তাতে বসার পরও মনে হবে আপনি দাঁড়িয়ে আছেন। লোকটি রাসুলের জন্য একটি মিম্বার তৈরি করল। এর (নিচের দিকে) দুটি সিঁড়ি ছিল। আর (ওপরের দিকে) তৃতীয় সিঁড়িতে তিনি বসতেন।

অতঃপর রাসুল (সা.) ওই মিম্বারের ওপর বসলে আগের কাষ্ঠখণ্ডটি ষাঁড়ের মতো আর্তনাদ করা শুরু করে। এমনকি রাসুল (সা.)-এর বিচ্ছেদের শোকে পুরো মসজিদ প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। তখন রাসুল (সা.) মিম্বার থেকে নেমে কাষ্ঠখণ্ডের দিকে যান। আওয়াজ করা সেই কাষ্ঠখণ্ডকে তিনি ধরেন। রাসুল (সা.) স্পর্শ করামাত্রই তা শান্ত হয়। তারপর তিনি বলেন, ‘ওই মহান সত্তার কসম, যার হাতে মুহাম্মদের প্রাণ, আমি একে আলিঙ্গন না করলে তা অবশ্যই কিয়ামত পর্যন্ত রাসুল (সা.)-এর শোকে এভাবে কাঁদতে থাকত।’ রাসুল (সা.) এটিকে দাফন করার নির্দেশ দেন। অতঃপর তাকে দাফন করা হয়। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৬৩১)

তথ্যসূত্র : হারামাইন ওয়েবসাইট

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

one + 16 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য