টেলিভিশন উপস্থাপক ও সাংবাদিক মুন্নী সাহার ব্যাংক হিসাবে বেতনের বাইরে জমা হয়েছে ১৩৪ কোটি টাকা। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালানোর পরেই এসব আমানতের মধ্যে ১২০ কোটি টাকাই উত্তোলন করা হয়েছে। স্থগিত করা হিসাবে এখন আছে মাত্র ১৪ কোটি টাকা।
বিধিবহির্ভূত লেনদেনের অভিযোগে মুন্নী সাহার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ইতোমধ্যে জব্দ করেছে বাংলাদেশের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফআইইউ)। ১৭টি ব্যাংকের মাধ্যমে এ লেনদেন হয়েছে। সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওয়ান ব্যাংকের মাধ্যমে।
গত ৬ অক্টোবর বিএফআইইউ মুন্নী সাহার ব্যাংক হিসাব তলব করে।
জানা গেছে, ব্যাংক হিসাবের বাইরে গুলশান-তেজগাঁও লিংক রোড এলাকায় শান্তিনিকেতনে ১৬৫, রোজগ্রীণে তার একটি ডুপ্লেক্স বাড়ির সন্ধান মিলেছে।
এ নিয়ে চলছে নেটদুনিয়ায় আলোড়ন। বেশিরভাগ নেটিজেনরাই বলছেন, কোনো মানুষ বৈধ পথে এত টাকা আয় করতে পারে না। কাজেই বুঝা যাচ্ছে যে- তিনি অবৈধ পথে এসব টাকা উপার্জন করেছেন। আমরা চাই তাকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হোক।
এম এস রহমান নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, আমি বুঝি না তাকে কেনো ছেড়ে দেওয়া হলো। মুন্নী সাহা স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের সব থেকে বড় সহযোগী ছিল। এখন ভারতের এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেছে। তাকে দ্রুত ধরে আইনের আওতায় আনুন।
মো. সোহাগ রহমান নামে একজন লিখেছেন, একজন সাংবাদিকের এত টাকা কোথা থেকে আসলো। নিশ্চয়ই অবৈধ টাকা। মুন্নী সাহা সরাসরি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও ভারতের হয়ে কাজ করে। তাকে দ্রুত ধরে আইনের আওতায় আনুন।
সিম মিয়া নামে একজন লিখেছেন, তার সব একাউন্ট জব্দ করে তদন্ত করা উচিত। এই টাকাগুলো দেশের কোথায় থেকে আসছে এবং বিদেশের কোন কোন দেশ থেকে এসেছে। বিস্তারিত জনগণকে জানান।
হামিদুল ইসলাম রানা নামে একজন লিখেছেন, এসব টাকা আওয়ামী লীগের দালালি করার পুরস্কার। দ্রুত ১৩৪ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করে সরকারি কোষাগারে নেওয়া হোক।
ওসমান গণি নামে একজন লিখেছেন, এরা আগেই ভালো ছিল। ভারতীয় এবং ইসকনের দেওয়া টাকা তার একাউন্টে। সব টাকা জব্দ করে সরকারের কোষাগারে নেওয়া হোক। আর তাকে ধরে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হোক।
