Tuesday, October 27, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে ও পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরপার্টি হাউসের গ্রেপ্তার: মিডিয়ার দ্বৈত নীতি ও ইসলামোফোবিয়া

পার্টি হাউসের গ্রেপ্তার: মিডিয়ার দ্বৈত নীতি ও ইসলামোফোবিয়া

সাম্প্রতিক সময়ে ডি আই জি’র পার্টি হাউস থেকে গ্রেফতার হওয়া ছেলে মেয়েদের প্রসঙ্গে বাংলাদেশে ‘ফ্যাক্ট চেকার’ উপাধি নেয়া এক ব্যক্তি একটি আবেগঘন পোস্ট করেছেন। সার কথা হচ্ছে, মিডিয়া যে এভাবে ছেলে মেয়ে গুলোর চেহারা, নাম পরিচয় দেখিয়ে দিল, এখন যদি তারা সাইবার বুলিং এর শিকার হয়, যদি তারা ট্রমায় পড়ে যায়, যদি কেউ সুইসাইড করে! ফ্যাক্ট চেকার সাহেব এহেন কাজে ‘মিডিয়া স্ট্যান্ডার্ড’ ‘এথিক্স’ এসব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

মূল কথায় যাবার আগে একটি আইনগত অবস্থান স্পষ্ট হওয়া দরকার। অপরাধ আইনে একটি টার্ম আছে ‘কমপ্লিসিটি’ বাংলায় মোটামুটি একটা অর্থ দাঁড়ায় সম্পৃক্ততা। মিডিয়া থেকে আমরা যা জেনেছি – ডি আই জি’র বাসায় টিকেট কেটে রঙ্গ মঞ্চে প্রবেশ করতে হত, এমন অবস্থায় যে কেউ র‍্যান্ডম এই পার্টি হাউসে নিষ্পাপ বিনোদনের জন্য উপস্থিত হতে পারবে এমনকিছু – আয়রনম্যান, ব্যাটম্যান, সুপারম্যান ও কল্পনা করতে চাইবে না! Being said that, all arrested are complicite.

কিন্তু ‘ফ্যাক্ট চেকার’ বেশ আবেগ প্রবণ হয়ে পড়েছেন। হতেই পারেন, সমাজের এলিট ক্লাস বলে কথা, ইংলিশ মিডিয়াম পড়ুয়া, কি সুন্দর সুন্দর ছেলে মেয়ে, একটু নাহয় মৌজ মাস্তিই করছিল, লোহা, সীসা, পিতল, তামা এসব নিয়ে এক্সপ্লোর করছিল, তাই বলে তাদের এক্সপোজ করে দিতে হবে! তাহলে দয়া মায়ার স্থান কোথায়!

অপরদিকে লক্ষ্য করুন, কিছুদিন আগে মসজিদ থেকে জুমার নামাজের পরে ২৩ জন ছেলেকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাদেরকে জড়িয়ে দেয়া হয়, নিউজ করা হয় ‘জঙ্গি’ ট্যাগের সাথে। তাদের অনেককে পরে ছেড়েও দেয়া হয়, কিন্তু সে সময়ে যখন তাদের চেহারা দেখানো হল, পুলিশের গাড়িতে ওঠানো হল, নাম তালিকা প্রকাশ করা হল – এতে কি তাদের সাইবার বুলিং হতে পারেনা? ট্রমা হতে পারেনা? তারা সুইসাইড করতে পারেনা?

ট্রমা কিংবা বুলিং কিংবা সোশ্যাল রিটালিয়েশনের কথাই যদি আলোচ্য হয় তাহলে এই জঙ্গি বা উগ্রবাদী ট্যাগ লাগিয়ে গ্রেফতার ছেলেরাই অধিক ঝুঁকির মুখে; এটি দাবী নয়, প্রমাণিত!

But pretty much looks like, fact cheker won’t give a damn about it and that’s the double standard of the ‘fact checker’ we are exposing!

বেশ মজার ব্যাপার হচ্ছে, ‘ফ্যাক্ট চেকার’ সাহেব এটি পোস্ট দেয়ার প্রায় সাথে সাথেই ‘গোপন সূত্রে’ প্রাপ্ত ‘নথি’ বিলি করা আরেক সাংবাদিক আবার সেটি শেয়ার দিয়েছেন। This is never random, rather a fine tuned orchestration, this is the very demonstration of how manufacturing consent works. সুন্দর সুন্দর ছেলে মেয়ে গুলো ওয়েস্টার্ন, সেমি ওয়েস্টার্ন ড্রেস পরা ছিল, পার্টি করছিল, ইংলিশ মিডিয়াম পড়ুয়া সুশীল শ্রেণীর ‘সংস্কৃতি-মনা’ ছেলে মেয়ে; এই বয়েসটাই হচ্ছে হালকা টানের উপরে থাকা, সেসবও নাহয় ছিল; তাই বলে এভাবে তাদের এক্সপোজ করতে হবে? তাদের ট্রমার কোন দাম নেই? তারা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আর এরকম পার্টি করতে পারবে? এসব দেখার পরেও আর কারো এমন পার্টি করতে মন চাইবে? ডিসকাউন্ট দিলেও তো মন চাইবে না!

অপরদিকে – যদি কিছু ছেলে হয় এমন, যারা জুমার নামাজের পরে মসজিদে বসে আলোচনা করছিল, দাড়ি টুপি ছিল, পাঞ্জাবি পরা – এরপরে যখন তাদের ছবি, নাম তালিকা প্রকাশ করা হল এবং তাদের কেউ কেউ ছাড়া পেয়ে বাসায় ফিরে গেল এমন অবস্থায় তাদের ট্রমার বিষয়টা? তাদের সাইবার বুলিং এর বিষয়টা? সোশ্যাল রিটালিয়েশন এর বিষয়টা?

বরং এমন ক্ষেত্রে ‘ফ্যাক্ট চেকার’ এবং তার বন্ধুদের সরব উপস্থিতি, উদ্দীপনা এবং পারফরম্যান্স আমাদের হতবাক করে দেয়! আপনাদেরও কি এমন মনে হয়?

Gentlemen, it’s called – Double Standard.

It’s called – Islamophobia.

It’s called – Manufacturing Consent.

Oh please, don’t deny! That would be too naive!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

3 × 3 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য