Sunday, April 19, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরসৌদির স্থাপত্য পুরস্কার পেল চার মহাদেশের পাঁচ মসজিদ

সৌদির স্থাপত্য পুরস্কার পেল চার মহাদেশের পাঁচ মসজিদ

সৌদি আরবে চতুর্থবারের মতো আবদুল লতিফ আল-ফাওজান অ্যাওয়ার্ড ফর মস্কো আর্কিটেকচার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার বিশ্বের চার মহাদেশের পাঁচটি মসজিদ এ পুরস্কার লাভ করেছে। রবিবার (৫ মার্চ) রিয়াদের ন্যাশনাল মিউজিয়াম হলে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে পাঁচ মসজিদের স্থপতিদের পুরস্কার প্রদান করেন রিয়াদ অঞ্চলের গভর্নর প্রিন্স ফয়সাল বিন বান্দার। এতে উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট পুরস্কারবিষয়ক ট্রাস্টি বোর্ডের প্রধান প্রিন্স সুলতান বিন সালমান এবং মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান শায়খ ড. আবদুর রহমান আল-সুদাইস।

সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-রিয়াদ সূত্রে জানা যায়, পুরস্কারপ্রাপ্ত মসজিদগুলো হলো, ইউরোপীয় মহাদেশ থেকে সার্বিয়ার তোপালা মসজিদ ও স্লোভেনিয়ার লিউব্লিয়ানা মসজিদ; এশিয়া অঞ্চলে তুরস্কের আলী পাশা মসজিদ, অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে অস্ট্রেলিয়ার ইসলামিক সেন্টার মসজিদ ও আফ্রিকা মহাদেশে মোজাম্বিকের আবু বকর মসজিদ।

আল-ফাওজান অ্যাওয়ার্ডের সেক্রেটারি জেনারেল ড. মাশারি আল-নাঈম বলেছেন, ‘আল্লাহর ঘর মসজিদের প্রতি সবার গুরুত্ববোধ তৈরি করা এবং সামাজিক কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এর সাংস্কৃতি ভূমিকা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই এ পুরস্কারের প্রধান লক্ষ্য। মসজিদের স্থাপত্য ও প্রকৌশলবিষয়ক তথ্য এবং এ ক্ষেত্রে নেতৃত্বদানকারী প্রকৌশলীদের বিবরণ বিভিন্ন ভাষায় ইলেকট্রনিক প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরতেই এই পুরস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।’

শায়খ আল-সুদাইস বলেছেন, ‘মসজিদের স্থাপত্য পুরস্কার আল্লাহর পবিত্র ঘরের প্রতি বিশেষ সম্মানের প্রতীক। এর মাধ্যমে স্থাপত্য ও নকশায় সৃজনশীল কাজের অনুপ্রেরণা বাড়বে। মুসলিম সমাজে মসজিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই রাসুল (সা.) হিজরতের পর প্রথমে মসজিদে নববী তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন।’

২০১১ সালে মসজিদের স্থাপত্যের জন্য আবদুল লতিফ আল-ফাওজান পুরস্কার প্রতিষ্ঠিত হয়। নগরায়ণ, স্থাপত্য ও প্রযুক্তিগত দিকগুলো বিবেচনা করে প্রতি তিন বছর পর পর এই পুরস্কার দেওয়া হয়। আধুনিক বিশ্বের মসজিদের স্থাপত্যবিষয়ক জ্ঞানের বিকাশে অবদান রাখতে পুরস্কারটি চালু করা হয়।

সূত্র : আল-রিয়াদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

twelve − eleven =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য