عَنْ جَابِرٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سَفَرٍ فَرَأَى زِحَامًا وَرَجُلًا قَدْ ظُلِّلَ عَلَيْهِ فَقَالَ: «مَا هَذَا؟» قَالُوا: صَائِمٌ. فَقَالَ: «لَيْسَ مِنَ الْبِرِّ الصَّوْمُ فِي السَّفَرِ»
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার এক সফরে ছিলেন। এক স্থানে তিনি কিছু লোকের সমাগম ও এক ব্যক্তিকে দেখলেন। (রোদের তাপ থেকে রক্ষা করার জন্য) ওই লোকটির ওপর ছায়া দিয়ে রাখা হয়েছে। (এ দৃশ্য দেখে) তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, ওখানে কী হয়েছে? লোকেরা বলল, এ ব্যক্তি সায়িম (দুর্বলতার কারণে পড়ে গেছে)। এ কথা শুনে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সফর অবস্থায় সওম রাখা নেক কাজ নয়। (বুখারী, মুসলিম)[1]
[1] সহীহ : বুখারী ১৯৪৬, মুসলিম ১১১৫, দারিমী ১৭৫০, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৮১৫৪।
ব্যাখ্যা: আলোচ্য হাদীসের সমর্থনে ইমাম বুখারী (রহঃ) সহীহুল বুখারীতে একটি অধ্যায় এনেছেন, (باب قول النبي ﷺ لمن ظلل عليه واشتد الحر ليس من البر الصوم في السفر) অর্থাৎ- অধ্যায় : নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা যার উপর ছায়া দেয়া আবশ্যক এবং যখন গরম তিব্ররূপ ধারণ করবে তখন সফরে সিয়াম পালন কোন নেক কাজ নয়।
হাফেয আসকালানী (রহঃ) বলেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এ কথার (لَيْسَ مِنَ الْبِرِّ الصَّوْمُ فِى السَّفَرِ) তথা ‘‘সফরে সিয়াম পালন কোন নেক কাজ নয়’’ দ্বারা সফরের কষ্ট ও জটিলতাকেই বুঝানো হয়েছে।
‘আল্লামা ইবনু দাক্বীক (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তির জন্য সফরে সিয়াম পালন করা কঠিন কিংবা অধিক কষ্টকর হবে তার জন্য সফরে সিয়াম পালন করা অনুচিত, আর কষ্টের আধিক্য না থাকলে সিয়াম পালন করাই উত্তম।
