Thursday, June 4, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবর২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট : লক্ষ্য উচ্চাভিলাষী, বাস্তবায়ন দুরূহ

২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট : লক্ষ্য উচ্চাভিলাষী, বাস্তবায়ন দুরূহ

অর্থনীতির একটি কঠিন সময়ে অর্থমন্ত্রী ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার যে বাজেটটি ঘোষণা করেছেন, তা সামষ্টিক অর্থনীতির অনেকগুলো সূচকের উচ্চাভিলাষী টার্গেট দিলেও লক্ষ্য অর্জনে কোনো দিকনির্দেশনা দিতে পারেনি। যেমন- আগামী অর্থবছরে সাড়ে ৭ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের টার্গেট দেয়া হলেও কিভাবে তা অর্জন করা যাবে তার কোনো সুস্পষ্ট কথা বাজেটে নেই। গত বেশ কয়েক মাসে ধারাবাহিক মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে থাকলেও আগামী অর্থবছরে এর টার্গেট দেয়া হয়েছে ৬ শতাংশ। কিন্তু মূল্যস্ফীতি কমানোর জন্য কী পদক্ষেপ নেয়া হবে তার কোনো কথা বলেননি অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায়। বিনিয়োগ ৩২ শতাংশ উন্নীত করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বাজেট ঘাটতি মেটানোর জন্য ব্যাংক থেকে এক লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ নেয়ার লক্ষ্য দেয়া হয়েছে। এত বিশাল অঙ্কের ঋণ যদি সরকারই নিয়ে নেয়, তবে বেসরকারিখাত ঋণপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবে। আর বেসরকারিখাত ঋণ না পেলে বিনিয়োগ কোথা থেকে আসবে।

আপনি যখন বাজেটের এই রিপোর্টটি পড়ছেন, আর যদি চশমা ব্যবহার করে পড়তে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য দুঃসংবাদ! আগামীতে চশমা কিনতে গেলে আপনাকে বেশ ভালো বাড়তি খরচ করতে হবে। কারণ অর্থমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (১ ‍জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য যে বাজেটটি ঘোষণা করেছেন তাতে চমশার ফ্রেমের ওপর ভ্যাট ও আমদানি শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন। চশমার ফ্রেম ও সানগ্লাস আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর রোদচশমা বা সানগ্লাসের (প্লাস্টিক ও মেটাল ফ্রেমযুক্ত) ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে আড়াই শতাংশ। নতুন হার প্রস্তাব করা হয়েছে সাড়ে ৭ শতাংশ। এখন আছে ৫ শতাংশ।

এখানেই শেষ নয়, অর্থমন্ত্রী বিদ্যা অর্জনের অপরিহার্য পণ্য কলমের ওপরও ‘বৈরী’ আচরণ করেছেন। বর্তমানে কলমের উৎপাদন পর্যায়ে কোনো ভ্যাট নেই। কিন্তু বাজেট বক্তৃতায় প্রথমবারের মতো কলমের ওপরও ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। আর এতে আগামী দিনগুলোতে ‘ঘরে ঘরে’ মানুষের ব্যয় বেড়ে যাবে। কারণ এমন কোনো পরিবার খুঁজে পাওয়া যাবে না, যেখানে কলম ব্যবহার করার কেউ নেই।

সাম্প্রতিক সময়ে কলমসহ সব ধরনের শিক্ষাসামগ্রীর দাম এমনিতেই বাড়তি। এখন আবার নতুন করে কলমের ওপর ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করলেন অর্থমন্ত্রী। ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর চাপ আরো বাড়বে। এমনিতে তারা দ্রব্যমূল্য কারণে চিঁড়ে চ্যাপ্টা অবস্থায় রয়েছে। এখানে কলমের ওপর শুধু ভ্যাট নয়, বলা যায়, অর্থমন্ত্রী সরাসরি ‘জ্ঞান’ চর্চার ওপর খড়গ চালিয়েছেন। আর কে না জানে ‘চমশা’ আর ‘কলম’ দুটোই জ্ঞান চর্চার অপরিহার্য অনুষঙ্গ। জানি না অর্থমন্ত্রী এ কথা মনে রেখে তা করেছেন কি না- ‘ওরা যত বেশি পড়ে তত বেশি জানে তত কম মানে।’

আয় নেই, তবুও দিতে হবে আয়কর
কর রিটার্ন দাখিল করেন কিন্তু করযোগ্য আয় নেই এমন ব্যক্তিদের ওপরও ন্যূনতম কর আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। অর্থমন্ত্রী গতকাল দুপুরে সংসদে মোট সাত লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার যে বাজেট প্রস্তাব করেছেন তাতে যাদের করযোগ্য আয় নেই, তাদেরও কর দেয়ার কথা বলেছেন। আর এই কর হবে দুই হাজার টাকা। বাজেট বক্তৃতায় এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘রাষ্ট্রের একজন নাগরিকের অন্যতম দায়িত্ব হচ্ছে রাষ্ট্র কর্তৃক প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধার বিপরীতে সরকারকে ন্যূনতম কর প্রদান করে সরকারের জনসেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ। এ ধরনের অংশীদারিত্বমূলক অংশগ্রহণ দেশের সক্ষম জনসাধারণের মাঝে সঞ্চারণের লক্ষ্যে করমুক্ত সীমার নিচে আয় রয়েছে অথচ সরকার হতে সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা রয়েছে এমন সব করদাতার ন্যূনতম কর দুই হাজার টাকা করার প্রস্তাব করছি।

বর্তমানে ব্যক্তি শ্রেণিতে টিআইএনধারীর (কর শনাক্তকরণ নম্বর) সংখ্যা প্রায় ৮৬ লাখ। এর মধ্যে মাত্র ৩২ লাখ ব্যক্তি আয়কর রিটার্ন জমা দেন। যে ৩২ লাখ ব্যক্তি আয়কর রিটার্ন জমা দেন, তাদের মধ্যে প্রায় ৮ লাখের করযোগ্য আয় নেই। এই ৮ লাখ ব্যক্তির ওপর ন্যূনতম কর ধার্য করা হলে সরকারের বাড়তি ১৬০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হবে। অন্য দিকে ন্যূনতম করের নিয়মটি যদি সব টিআইএনধারীর ওপর প্রয়োগ করা হয়, তবে এক হাজার ২৪০ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আয় করবে এনবিআর।

অর্থমন্ত্রীকে সাধুবাদ
বেশ অনেক বছর পর, শেষ ব্যক্তি শ্রেণির আয়করমুক্ত সীমা বাজেটে বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়েছে। মধ্যবিত্তদের কিছুটা সাশ্রয় দেয়ার জন্য অর্থমন্ত্রী এক্ষেত্রে সাধুবাদ পেতেই পারেন। বর্তমানে ন্যূনতম আয়করমুক্ত সীমা রয়েছে তিন লাখ টাকা। আগামী বাজেটে তা বাড়িয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। নারী ও বয়স্ক নাগরিকদেরও আয়করমুক্ত সীমা বর্তমানে সাড়ে তিন লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে চার লাখ টাকা এবং প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এই সীমা সাড়ে ৪ লাখ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে চার লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রায় অসম্ভব
চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের বর্তমান অনেক ‘ঢাকঢোল’ পিটিয়ে বলেছিলেন, মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হবে সাড়ে সাত শতাংশ। কিন্তু বছরের মাঝামাঝি সময়ে এসে দেখা গেল এই প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব নয়। ফলে তা কমিয়ে সংশোধিত বাজেটে ৬ দশমিক শূন্য তিন শতাংশ ধরা হয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার পেছনে সরকার পক্ষ থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে দায়ি করা হয়েছে। কিন্তু এ নিয়েও অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। সে যাই হোক, আগামী অর্থবছরের জন্যও অর্থমন্ত্রী জিডিপি প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৭ শতাংশ প্রাক্কলন করেছেন। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এটি অর্জন করা সম্ভব। দেশের অর্থনীতির অবস্থা চাপের মধ্যে রয়েছে। শ্লথ হয়ে গেলে পুরো অর্থনীতির সার্বিক চলক। আমদানি রফতানি রেমিট্যান্স রিজার্ভ কোনোটাই স্বস্তিজনক অবস্থায় নেই। এ অবস্থায় সাড়ে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করা যাবে না।

মূল্যস্ফীতি কিভাবে কমবে
টানা কয়েক মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ ভাগের ওপরে থাকলেও বাজেটে অর্থমন্ত্রী মূল্যস্ফীতি টার্গেট দিয়েছে ছয় শতাংশ। এটিও অর্জন করা যাবে না। কারণ আগামী ক’মাসে পণ্যমূল্য কমার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

বিনিয়োগের দিকনির্দেশনাহীন
বাজেটে জিডিপির অংশ হিসেবে বিনিয়োগের লক্ষ্য দেয়া ৩৪ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে যা রয়েছে ২৮ শতাংশ। আগামী অর্থবছরে সরকারি বিনিয়োগ ছয় দশমিক ৩২ শতাংশ এবং বেসরকারি বিনিয়োগ ২৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ ধরা হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে বিনিয়োগ ২৮ থেকে ৩২ ভাগে কিভাবে উন্নীত করা হবে তার কোনো দিকনির্দেশনা দিতে পারেননি অর্থমন্ত্রী। বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য অবকাঠামো উন্নয়নসহ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন করার প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু এ খাতে সঙ্কট রয়ে গেছে। বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি জন্য অর্থায়নেরও প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু সরকার তার বাজেট ঘাটতি মেটানোর জন্য আগামী অর্থবছরে ব্যাংকিংখাত থেকেই এক লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকাও বেশি ঋণ নেয়ার পরিকল্পনা করেছে। সরকার যদি এত বিশাল অঙ্কের ঋণ ব্যাংকিং খাত থেকে নেয়, তবে বেসরকারি খাত ঋণপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবে। আর অর্থায়ন সমস্যার কারণে বিনিয়োগও শ্লথ হয়ে পড়বে। অর্জন হবে না বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা।

মোট রাজস্ব প্রাপ্তি
এ দিকে প্রস্তাবিত বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে অর্থায়ন তথা রাজস্ব আদায়। বাজেটে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মোট রাজস্ব প্রাপ্তি প্রাক্কলন করা হয়েছে পাঁচ লাখ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও প্রস্তাবিত বাজেটে এনবিআর নিয়ন্ত্রিত রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬০ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে চার লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া এনবিআর-বহির্ভূত কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ২৯ হাজার কোটি টাকা এবং কর ব্যতীত প্রাপ্তির (এনটিআর) লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকা।

চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে মোট রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ছিল চার লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআর নিয়ন্ত্রিত রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল তিন লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটেও এটি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া এনবিআর-বহির্ভূত কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৮ হাজার কোটি টাকা এবং কর ব্যতীত প্রাপ্তির (এনটিআর) লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

বাজেট ঘাটতি ও অর্থায়ন
প্রস্তাবিত বাজেটে অনুদান ব্যতীত সার্বিক ঘাটতি প্রাক্কলন করা হয়েছে দুই লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। এটি বাজেটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এবং জিডিপির ৫ দশমিক ২ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে বাজেট ঘাটতির হার ছিল জিডিপির ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। বাজেট ঘাটতি পূরণে আগামী বাজেটে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মোট এক লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯০ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নিট এক লাখ ৩২ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা (দীর্ঘমেয়াদি ৮৬,৫৮০ কোটি টাকা ও স্বল্পমেয়াদি ৪৫,৮১৫ কোটি টাকা) এবং ব্যাংক-বহির্ভূত খাতের মধ্যে সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা ও অন্যান্য খাত থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়া হবে।

অন্য দিকে আগামী অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। সে হিসাবে প্রস্তাবিত বাজেটে নিট বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে এক লাখ দুই হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। বিদায়ী অর্থবছরের মূল বাজেটে বৈদেশিক উৎস থেকে নিট ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৫ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা।

ঘাটতি পূরণে বিদায়ী অর্থবছরের মূল বাজেটে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মোট ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে এক লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা, সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ও অন্যান্য উৎস থেকে ৫ হাজার এক কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

অনুন্নয়ন ও উন্নয়ন ব্যয় : প্রতিবারের মতো এবারো বাজেটে পরিচালনা ও অন্যান্য খাতে (অনুন্নয়ন) ব্যয় বাড়ছে। প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতে মোট ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে চার লাখ ৩৬ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।

এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ পরিশোধে ৮২ হাজার কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ছিল ৭৩,১৭৫ কোটি টাকা) এবং বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধে ১২ হাজার ৩৭৬ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭,২০০ কোটি টাকা); মূলধনী খাতে ৩৯ হাজার ৩৪ কোটি টাকা; খাদ্য হিসাবে ৫০২ কোটি টাকা এবং ঋণ ও অগ্রীম খাতে ৮ হাজার ৪২০ কোটি টাকা (চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬,৫০১ কোটি টাকা) ব্যয় করা হবে। অন্য দিকে প্রস্তাবিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের বাজেটে মূল এডিপির আকার ছিল দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

4 × three =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য