عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّمَا مَثَلُ صَاحِبِ الْقُرْآنِ كَمَثَلِ صَاحِبِ الْإِبِلِ الْمُعَقَّلَةِ إِنْ عَاهَدَ عَلَيْهَا أَمْسَكَهَا وَإِنْ أَطْلَقَهَا ذَهَبَتْ»
’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুরআনকে স্মৃতিতে ধারণকারীদের দৃষ্টান্ত হলো রশিতে বাঁধা উটের মতো। উটের প্রতি সব সময় লক্ষ্য রেখেই তাঁকে বেঁধে রাখা যেতে পারে। আর লক্ষ্য না রাখলে সে রশি ছিঁড়ে পালিয়ে যায়। (বুখারী ও মুসলিম)[1]
[1] সহীহ : বুখারী ৫০৩১, মুসলিম ৭৮৯, মুয়াত্ত্বা মালিক ৬৯০, আহমাদ ৫৯২৩, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৪০৫১, শু‘আবূল ঈমান ১৮১০, সহীহ ইবনু হিববান ৭৬৪, সহীহাহ্ ৩৫৭৭, সহীহ আত্ তারগীব ১৪৪৫, সহীহ আল জামি‘ ২৩৭২।
ব্যাখ্যা: এ হাদীস থেকে বুঝা যায় যে, যদি কোন ব্যক্তি কুরআন মাজীদকে মুখস্থ করে রাখতে চায় তবে তাকে প্রত্যহ তিলাওয়াত করতে হবে এবং সালাতে বেশি বেশি পড়তে হবে নতুবা সে খুব তাড়াতাড়ি ভুলে যাবে। এখানে কুরআন পাঠকে উটের রশির বন্ধনের সাথে দেয়া হয়েছে এজন্য যে, গৃহপালিত পশুর মধ্যে সবচাইতে বেশি উট ছাড়া পেলে পালিয়ে যায়।
