Sunday, May 31, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিকঅরুণাচলের মুসলিমদের ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলতে বাধ্য করা হচ্ছে

অরুণাচলের মুসলিমদের ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলতে বাধ্য করা হচ্ছে

ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলিমবিরোধী প্রচার ক্রমেই বাড়ছে। সম্প্রতি ভাইরাল একটি ফুটেজে দেখা গেছে, অরুণাচল প্রদেশের আদিবাসী যুব সংগঠনের নেতারা মুসলিম আলেমদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন। এ উদ্বেগজনক ঘটনা সমাজে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, অরুণাচল প্রদেশ আদিবাসী যুব সংগঠনের (এপিআইওয়াইও) নেতারা মুসলমান আলেমদের মুখোমুখি হয়ে ইটানগর অঞ্চলে (আইসিআর) একটি মসজিদ ভাঙার হুমকি দিচ্ছেন। ফুটেজটি অনলাইনে প্রকাশ হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষোভের প্রকাশ ঘটেছে।

ভিডিওতে এপিআইওয়াইওর সাধারণ সম্পাদক তাপর মেয়িং ও সভাপতি তারো সোনম লিয়াককে একটি মসজিদের সামনে দেখা যায়। বাক-বিতণ্ডার এক পর্যায়ে লিয়াক একজন আলেমকে প্রশ্ন করেন, প্রত্যেক মুসলিম সন্ত্রাসী নয়, তবে কেন প্রতিটি সন্ত্রাসী মুসলিম? এটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

তিনি আরো দাবি করেন, কোরআন জিহাদের মাধ্যমে কাফেরদের হত্যার নির্দেশ দেয়। তবে সেই আলেম, দৃঢ়ভাবে এ দাবির প্রতিবাদ করে জানিয়ে দেন, ইসলাম শুধু প্রতিরক্ষামূলক সংগ্রামের অনুমতি দেয়, আক্রমণাত্মক সহিংসতা নয়।

এ পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন লিয়াক ওই আলেমকে ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলতে বাধ্য করার চেষ্টা করে বলেন, ‘তোমরা কি ভারত মাতা কি জয় বল? যদি তা না বল, তাহলে কীভাবে প্রকৃত ভারতীয় হতে পার?’ এ ধরনের স্লোগানকে আলেম ব্যক্তিটি ইসলামের একত্ববাদী দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করেন। এরপর এপিআইওয়াইও নেতারা মসজিদটিকে অবৈধ ঘোষণা করে তা সরিয়ে নিতে আল্টিমেটাম দেন। তারা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলে, পরশুর মধ্যে এটি বন্ধ করে দিন। লিয়াক সতর্ক করেন, তোমরা ভারত মাতা কি জয় বল না, তাই এখানে তোমাদের কোনো জায়গা নেই। এ ঘটনার বিষয়ে কোনো অভিযোগ গ্রহণ করা হবে না।

রাজধানী জামিয়া মসজিদের জনসংযোগ কর্মকর্তা সুলতান সাংবাদিকদের জানান, আমাদের সমস্ত মসজিদ ও মাদরাসা যথাযথ অনুমোদনের মাধ্যমে আইনত প্রতিষ্ঠিত। সরকারি কোনো কর্তৃপক্ষ কোনো মসজিদকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেনি।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর, মুসলিম জনগোষ্ঠী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো অরুণাচল প্রদেশ সরকারের কাছে এ ঘটনায় হস্তক্ষেপ করার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

9 − 1 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য