আমেরিকান নাগরিক ক্লোয়ি কোল (Chloe Cole) শৈশবে বিভৎস LGBTQ তথা জেন্ডার আইডিওলজির কবলে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম ভয়ংকর মেডিকেল স্ক্যান্ডাল ‘জেন্ডার অ্যাফার্মিং কেয়ার’ নামক অপচিকিৎসার শিকার হন। তাকে বোঝানো হয়েছিল তিনি ভুল শরীর নিয়ে জন্ম নিয়েছেন। জেন্ডার স্পেশালিস্ট ডাক্তার তার বাবা মাকে বলেছিলেন, ‘আপনারা কি একজন মৃত কন্যা চান, নাকি একজন জীবিত ট্রান্সজেন্ডার ছেলে চান?’ তার বাবা মা এরকম কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন হলে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে নিতে বাধ্য হন। খুব দ্রুত তাকে পিউবার্টি ব্লকার এবং টেস্টোস্টেরন ইনজেকশন দেওয়া শুরু হয়। ১৩ বছর বয়সে তাকে পুরুষ হরমোন দেওয়া হয়। ১৫ বছর বয়সে তার দুই স্তন কেটে ফেলা হয় (ডাবল মাস্টেক্টমি)। ১৬ বছর বয়সে অপারেশনের পর তিনি আত্মঘাতী হয়ে উঠেন যদিও আগে তিনি আত্মঘাতী ছিলেন না।
তিনি বলেন, “১২ বছরের শিশুদের এই কথা বলা বন্ধ করতে হবে যে তারা ‘ভুল শরীরে’ জন্মেছে। আমার চিকিৎসকরা বলেছিলেন সার্জারি করলে সব সমস্যা দূর হয়ে যাবে, কিন্তু তাদের তত্ত্ব ভুল ছিল। ওষুধ আর অস্ত্রোপচার আমার শরীর কিছুটা বদলে দিলেও এই ধ্রুব সত্য বদলাতে পারেনি যে—আমি একজন নারী এবং চিরকাল নারীই থাকব। আমার শৈশব ধ্বংস হয়ে গেছে। আমি আমার নেটওয়ার্ক থেকে জানতে পেরেছি আমার মতো আরও হাজারো শিশুর জীবন বিপন্ন হয়ে গেছে। এই বর্বরতা বন্ধ হওয়া দরকার। আপনারাই পারেন এটি থামাতে। অনেক শিশু এই অপবিজ্ঞানের শিকার হয়েছে। দয়া করে আমার এই আর্তনাদকে আপনারা শেষ সতর্কবার্তা হিসেবে গ্রহণ করুন।”

