Saturday, April 18, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিকআরও একটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধ বিমান ভূপাতিত করার দাবি ইরানের, ধ্বংস করা...

আরও একটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধ বিমান ভূপাতিত করার দাবি ইরানের, ধ্বংস করা হলো মার্কিন পাইলটদের গোপন আস্তানাও

ইরানি বাহিনী আজ শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ–৩৫ যুদ্ধবিমানসহ দুটি উন্নত যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করেছে। একই সঙ্গে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর অংশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন পাইলটদের একটি গোপন ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। এসব দাবি ইরান সরকারের পক্ষ থেকে করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক প্রতিবেদনে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরুর পর পাল্টা জবাব হিসেবে তেহরান হামলা চালিয়ে আসছে। গত বছরের জুনে হামলার প্রায় আট মাস পর এবার যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল আবার হামলা চালায়। আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ডস কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে মধ্য ইরানে একটি স্টিলথ এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ভূপাতিত বিমানটি লেকেনহিথ স্কোয়াড্রনের অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং এটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। বিমানটি ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় পাইলটের অবস্থা সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। এর আগে শুক্রবার সকালে আইআরজিসি জানায়, কেশম দ্বীপের দক্ষিণে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে শত্রুপক্ষের আরেকটি উন্নত যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। পরে সেটি হেনগাম ও কেশম দ্বীপের মাঝামাঝি পারস্য উপসাগরে বিধ্বস্ত হয়।

আইআরজিসি উল্লেখ করেছে, এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে মার্কিন বাহিনী ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, “মার্কিন প্রেসিডেন্টের আইআরজিসির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস করার মিথ্যা দাবির পর দেশের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইআরজিসি নৌবাহিনীর আধুনিক উন্নত ব্যবস্থার মাধ্যমে কেশম দ্বীপের দক্ষিণে শত্রুর একটি উন্নত যুদ্ধবিমানকে আঘাত করা হয়েছে।”

এই ঘটনাগুলো মার্কিন সামরিক বাহিনীর যুদ্ধবিমান ক্ষয়ক্ষতির তালিকায় নতুন সংযোজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে গত ১১ মার্চ আইআরজিসি মধ্য ইরানের আকাশসীমায় মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি এফ-৩৫ স্টিলথ ফাইটার জেটে আঘাত করেছিল বলে দাবি করে। পরে মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানায়, একটি এফ-৩৫ পশ্চিম এশিয়ার একটি মার্কিন ঘাঁটিতে জরুরি অবতরণ করেছে এবং সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এনপিআর-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ওই যুদ্ধবিমান দ্রুত সচল করা সম্ভব নয়।

এ ছাড়া মার্কিন সামরিক বাহিনী এই যুদ্ধে তিনটি এফ-১৫ ও একটি কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার হারানোর কথা নিশ্চিত করেছে। পেন্টাগন এসব ক্ষতিকে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বা ‘দুর্ঘটনা’ হিসেবে ব্যাখ্যা করছে। প্রেস টিভির প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সম্প্রতি নেভাদায় একটি এফ-৩৫ বিধ্বস্ত হওয়ার কথা মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে। তবে সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে স্টিলথ ফাইটার হারানোর ঘটনা আড়াল করতে এটি একটি প্রচেষ্টা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

two × two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য