Tuesday, May 26, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরইরাকে মার্কিন দূতাবাসে মর্টার হামলা

ইরাকে মার্কিন দূতাবাসে মর্টার হামলা

ইরাকের রাজধানী বাগদাদের অত্যন্ত সুরক্ষিত গ্রিন জোনের ভেতরে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে চালানো হামলায় সাতটি মর্টার গোলা ব্যবহার করা হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, শুক্রবার ভোররাতে দূতাবাসটির কম্পাউন্ডে আনুমানিক সাতটি মর্টার রাউন্ড আঘাত হানে। এটি গত কয়েক বছরের মধ্যে বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসে চালানো সবচেয়ে বড় হামলা বলে ধারণা রয়টার্সের।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এদিন ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীগুলোর অবস্থান লক্ষ্য করেও অন্তত পাঁচটি রকেট ও ড্রোন হামলা হয়েছে। সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীর পৃথক ঘাঁটিগুলোতে তিনটি ও ইরাকে বাগদাদের পশ্চিমে আইন আল-আসাদ বিমান ঘাঁটিতে দুইবার হামলা হয়েছে।

গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের সাথে ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সিরিয়া ও ইরাকে মার্কিন বাহিনীগুলো ঘন ঘন হামলার শিকার হচ্ছে। গাজার যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে সর্বাত্মক সমর্থন দেয়াই এর কারণ বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এসব হামলা চালাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লয়েড অস্টিন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানিকে ফোন করে এসব হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। এসব হামলার জন্য ইরানের মিত্র ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠী কাতাইব হিজবুল্লাহ ও হরকত হিজবুল্লাহ আল নুজাবাকে দায়ী করেছেন।

পেন্টাগনের দেয়া বিবৃতিতে জানা গেছে, অস্টিন সুদানিকে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এসব গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে স্পষ্ট জাবাব দেয়ার অধিকার রাখে।’

গত এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসে এই প্রথম হামলা চালানো হল। এতে ওই অঞ্চলে মার্কিন অবস্থানগুলোর ওপর হামলা বিস্তৃত হচ্ছে বলে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধ আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নিতে পারে, এসব হামলার বিস্তৃতিতে সেই আশঙ্কা আরও বাড়ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সম্ভবত মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে আরও রকেট ছোড়া হয়েছিল কিন্তু সেগুলো লক্ষ্যচ্যুত হয়েছে।

এসব হামলায় কেউ আঘাত পায়নি কিন্তু কিছু বস্তুগত ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরও জানান, এই নিয়ে ১৭ অক্টোবর থেকে শুরু করে ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীগুলোর ওপর এ পর্যন্ত অন্তত ৮৪ বার হামলা চালানো হল। ইরাক ও সিরিয়ার কোনো গোষ্ঠী এসব হামলার দায় স্বীকার করেনি। এ হামলায় গ্রিন জোনের ভেতরে ইরাকের গোয়েন্দা সংস্থার সদরদপ্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে।

সূত্র : রয়টার্স

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

5 × 3 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য