Friday, April 17, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরকর্ণাটকে বিজেপি হারে ‘খাকি হাফপ্যান্ট’ জ্বলা রাজনৈতিক মিম ভাইরাল

কর্ণাটকে বিজেপি হারে ‘খাকি হাফপ্যান্ট’ জ্বলা রাজনৈতিক মিম ভাইরাল

কর্ণাটকে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজিপি) হারতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল বেশ কিছু রাজনৈতিক মিম। এর মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে ‘দ্য সাউথ ইন্ডিয়ান স্টোরি’ মিমটি। ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ সিনেমার পোস্টারের অনুকরণে তৈরি ওই মিমটি।

কর্ণাটক নির্বাচনের আগে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছিল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে। ওই বিতর্কের ভরপুর রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে চেয়েছিল গেরুয়া শিবির। কর্ণাটকে প্রচারে এসে বেঙ্গালুরুর সিনেমা হলে সিনেমাটি দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা।

কর্ণাটকের ভোটতরী পার করাতে পারেনি বিজেপি। বেশ কয়েক বছরের একাধিক রেকর্ড ভেঙে কর্ণাটকে সরকার গঠন করতে চলেছে কংগ্রেস। এ অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার ব্যবহারকারীদের খোঁচার মুখে বিজেপি। আর তা থেকেই ভাইরাল হয়েছে একটি রাজনৈতিক ‘মিম’।

ভাইরাল হওয়া মিমের মধ্যে ‘খাকি প্যান্ট পোড়ার’ ছবিটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছে বিজেপি বিরোধীদের মধ্যে। তাতে দেখা গেছে, একটি খাকি হাফপ্যান্টে আগুন জ্বলছে। ওই ধরনের প্যান্ট রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস) ক্যাডাররা পরে। এর সাথে ছবিতে লেখা- ‘দ্য সাউথ ইন্ডিয়ান স্টোরি’।

আরো একটি মিম ভাইরাল হয়েছে বিজেপির হারে। তাতে দক্ষিণ ভারতের মানচিত্র আঁকা। ওই ছবিতে লেখা- ‘দক্ষিণ ভারত চিরকাল স্বাধীন থাকবে’। সিনেমার পোস্টারের মতো ওই ছবিতে আরো লেখা- ‘সত্যি রাজনীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি’ এবং ‘পরিচালনায় দক্ষিণ ভারতীয়রা’।

দক্ষিণ ভারতে একমাত্র কর্ণাটকেই ক্ষমতায় ছিল বিজেপি। বাকি কোনো রাজ্যেই এখনো নিজেদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে পারেনি গেরুয়া শিবির। তবে কর্ণাটকে হারায় এখন দক্ষিণ ভারতের কোনো রাজ্যেই বিজেপির সরকার থাকল না।

কর্ণাটকে এবারে ভোটে কংগ্রেসের খেলা ঘুরিয়ে দিয়েছে ভোক্কালিগা সম্প্রদায়। কর্ণাটকের মোট জনসংখ্যার মধ্যে লিঙ্গায়েত সম্প্রদায় ১৭ ভাগ। এরপরই রয়েছে ভোক্কালিগা। তারা ১১ ভাগ। মূলত দক্ষিণ কর্ণাটকে মাইসোর অঞ্চলে ভোক্কালিগাদের বাস। ঐতিহাসিকভাবে ১৯৯৯ সাল থেকে ভোক্কালিগারা জেডিএস-কেই ভোট দিয়ে আসছে। তবে ২০১৮ সালে দক্ষিণ কর্ণাটক বা মাইসোর অঞ্চলে বেশ ভালো ফল করেছিল বিজেপি। ওইবার ভোক্কালিগা অধ্যুষিত এলাকায় ডবল ফিগারে আসন লাভ করেছিল বিজেপি। তবে এবার ওই আসন সংখ্যা নেমে এসেছে ছয়-এ। এই অঞ্চলে ভোটের শতাংশ কমেনি বিজেপির। তবে জেডিএস-এর একটা বড় অংশের ভোট গিয়েছে কংগ্রেসের দিকে। এর জন্যই এ অঞ্চলে ৩৭টি আসনে জিতেছে কংগ্রেস। এ অঞ্চলে আগেরবার যেখানে জেডিএস জিতেছিল ২৬টি আসন, তারা এবার এ অঞ্চলে পেয়েছে মাত্র ১৪টি আসন।

দক্ষিণের মতো মধ্য কর্ণাটকেও এগিয়ে কংগ্রেস। এ অঞ্চলে সাতটি আসনে বিজেপি জয়ী এবং ২৪টি আসনে জয়ী কংগ্রেস। হায়দরাবাদ-কর্ণাটকেও অনেকটাই এগিয়ে কংগ্রেস। এ অঞ্চলে কংগ্রেস জিতেছে ২০টি আসনে এবং ছয় আসনে জয়ী বিজেপি ও জেডিএস তিন আসনে জয়ী।

কর্ণাটকে সার্বিকভাবে পিছিয়ে পড়লেও বেঙ্গালুরু এলাকায় কংগ্রেসকে টক্কর দিয়েছে বিজেপি। সেখানে ১৫টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। কংগ্রেস এগিয়ে ১৭টি আসনে। এছাড়া উপকূলীয় কর্ণাটকে অবশ্য এগিয়ে বিজেপি। সেখানে ১৪টি আসনে এগিয়ে বিজেপি এবং ছয় আসনে এগিয়ে কংগ্রেস। অপরদিকে উত্তর কর্ণাটকে ৩১টি আসনে এগিয়ে কংগ্রেস। বিজেপি জিতেছে মাত্র ১৬টি আসনে।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

20 − fifteen =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য