Friday, August 7, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআন্তর্জাতিককোভিডের উৎপত্তিস্থল চীনের উহানে বাঁদুড় নিয়ে ‘বিপজ্জনক গবেষণায়’ জড়িত ছিলেন শীর্ষ মার্কিন...

কোভিডের উৎপত্তিস্থল চীনের উহানে বাঁদুড় নিয়ে ‘বিপজ্জনক গবেষণায়’ জড়িত ছিলেন শীর্ষ মার্কিন বিজ্ঞানী, এগুলো ‘ডিপ স্টেটের পুরনো খেলা’

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের দায়িত্ব থেকে বিদায় নেওয়ার মুহূর্তে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন তুলসি গ্যাবার্ড। কোভিড-১৯ মহামারির উৎপত্তিস্থল হিসেবে পরিচিত চীনের উহানের ল্যাবে ‘বিপজ্জনক গেইন-অব-ফাংশন’ গবেষণায় অর্থায়নের জন্য তিনি সরাসরি সাবেক মার্কিন প্রধান স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. অ্যান্থনি ফাউচিকে দায়ী করেছেন।

নিজের দপ্তরে শেষ কর্মদিবসে কিছু ‘অপ্রকাশিত’ নথিপত্র প্রকাশ করে গ্যাবার্ড অভিযোগ করেন, মহামারি শুরুর দিকে মার্কিন সরকারের প্রধান স্বাস্থ্য উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকা ড. ফাউচি মার্কিন করদাতাদের কয়েক মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে বাদুড়ের করোনাভাইরাস নিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ গবেষণা চালিয়েছিলেন। গ্যাবার্ডের দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়, ড. ফাউচি কেবল এই বিপজ্জনক গবেষণায় অর্থায়নই করেননি, বরং ভাইরাসের ‘ল্যাব-লিক’ বা গবেষণাগার থেকে ছড়িয়ে পড়ার তত্ত্বটি ধামাচাপা দিতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ওপরও প্রভাব খাটিয়েছিলেন। তিনি একটি ‘স্বার্থান্বেষী বলয়’ তৈরি করে প্রাকৃতিক উৎস থেকে ভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছে—এমন দাবি প্রচারের মাধ্যমে ল্যাব-লিক তত্ত্বকে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা প্রমাণ করার চেষ্টা চালান।

গ্যাবার্ড আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের জুন মাসে মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া সাক্ষ্যে ড. ফাউচি সরাসরি মিথ্যা কথা বলেছেন। সেই শুনানিতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে ভাইরাল গবেষণা নিয়ে কোনো আলোচনার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ফাউচি তা অস্বীকার করেছিলেন। গ্যাবার্ডের দাবি, নতুন উন্মোচিত নথিপত্রগুলো ফাউচির সেই মিথ্যার অকাট্য প্রমাণ।

ব্যক্তিগত কারণে সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের গোয়েন্দা প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করা তুলসি গ্যাবার্ড এই ঘটনাকে ‘ডিপ স্টেটের’ (রাষ্ট্রের ভেতরের অদৃশ্য শক্তি) পুরোনো খেলা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, বছরের পর বছর ধরে চলা মিথ্যাচার, সেন্সরশিপ এবং তথ্য লুকানোর ঘটনার পর এখন সত্য ও জবাবদিহিতার সময় এসেছে। গ্যাবার্ডের অভিযোগ, ড. ফাউচির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলা বা দ্বিমত পোষণ করা গোয়েন্দা দপ্তরের অনেক বিশ্লেষককে ক্যারিয়ারের বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে, যা সেখানে সত্যের চেয়ে আনুগত্য প্রকাশের পরিবেশ তৈরি করেছিল।

দীর্ঘ ৩৮ বছর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (এনআইএআইডি)-এর নেতৃত্ব দেওয়া ৮৫ বছর বয়সি ড. ফাউচি বা তাঁর সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের পক্ষ থেকে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

nineteen − two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য