Monday, October 19, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে ও পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরদুর্নীতির অভিযোগে অপসারণের ১৫ দিন পরই প্রকল্প পরিচালককে পুনর্বহাল; চ্যানেল ওয়ানের ...

দুর্নীতির অভিযোগে অপসারণের ১৫ দিন পরই প্রকল্প পরিচালককে পুনর্বহাল; চ্যানেল ওয়ানের প্রতিবেদন অপসারণ

প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে একটি প্রকল্পের পরিচালককে অপসারণ করা হয়েছিল। তদন্ত কমিটি গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছিল বলে জানা গেলেও মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে তাকে পুনরায় পদে বহাল করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত রাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলমের হস্তক্ষেপে ওই কর্মকর্তাকে পুনর্বহাল করা হয়।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিদেশি ঋণে পরিচালিত একটি গ্রামীণ পানি ও স্যানিটেশন প্রকল্প। বন্যাপ্রবণ এলাকায় নিরাপদ পানীয় জল ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছিল। চ্যানেল ওয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে করা তদন্তে গুরুতর অনিয়মের তথ্য উঠে আসে। এর মধ্যে রয়েছে নিম্নমানের বা ব্যবহার অনুপযোগী গণশৌচাগার, হাত ধোয়ার ব্যবস্থা এবং পানির ট্যাংক নির্মাণ।

তদন্তে বিভিন্ন জেলায় টুইন-পিট ল্যাট্রিনসহ অন্যান্য স্যানিটেশন অবকাঠামো নির্মাণেও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব কাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, ব্যয় বাড়িয়ে দেখানো এবং নির্মাণকাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন না করার মতো অভিযোগ উঠে এসেছে। এর ফলে সরকারি অর্থের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে থাকতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

তদন্ত ও অপসারণের পরও মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে ওই প্রকল্প পরিচালককে পুনর্বহাল করা হয়। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত নথি অনুযায়ী, অপসারণের পরপরই ওই কর্মকর্তা পুনর্বহালের আবেদন করেছিলেন। পরে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে তদন্তের ফলাফল ও এত দ্রুত সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে, একজন ঠিকাদার ও প্রকল্প পরিচালকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা একটি গাড়িকে কেন্দ্র করে ঘুষ লেনদেনের সম্ভাব্য অভিযোগও প্রতিবেদনে উঠে আসে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, মন্ত্রীও অভিযোগগুলো নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

প্রতিবেদনটি প্রকাশের প্রায় দুই ঘণ্টা পর চ্যানেল ওয়ানের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে তা সরিয়ে নেওয়া হয়। প্রতিবেদনে দুর্নীতির অভিযোগ, মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে প্রকল্প পরিচালককে পুনর্বহাল এবং এ ঘটনায় কথিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছিল। প্রতিবেদনটি সরিয়ে নেওয়ার সময় নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

16 − 11 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য