পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০২৪ সালের জন্য হজ নীতি ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার তত্ত্বাবধায়ক ধর্মমন্ত্রী ড. অনিক আহমদের ঘোষিত ওই নীতি অনুযায়ী দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আগের বছরের চেয়ে বর্তমান বছরে হজের ব্যয়ভার কমতে যাচ্ছে।
সরকার ২০ দিনের সংক্ষিপ্ত একটি প্যাকেজও ঘোষণা করেছে। এতে স্বাভাবিক হজ প্যাকেজের চেয়ে প্রায় ৮০ হাজার রুপি বেশি লাগবে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানের জন্য এক লাখ ৭৯ হাজার হজযাত্রী অনুমোদন করেছে। এদের অর্ধেক বেসরকারি হজ প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।
প্রবাসী পাকিস্তানিরাও স্পন্সরশিপ স্কিমের আওতায় হজ করতে পারবে। তারা এমনকি তাদের পক্ষে অন্য কাউকে হজের জন্য মনোনীত করতে পারবে। তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে কেবল মার্কিন ডলারে।
স্পন্সরশিপ স্কিমের আওতায় দেশটির উত্তর অংশ থেকে গমনকারীদের খরচ হবে ৩,৮০০ মার্কিন ডলার। আর দক্ষিণ অংশ থেকে গমনকারীদের জন্য ব্যয় হবে ৩,৭৬৫ মার্কিন ডলার।
সরকারি হজের আবেদন ব্যাংকগুলোতে ২৭ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার তিন মাসের জন্য হজ নীতি ২০২৪ নিয়ে কাজ করছে। গত বছর হজের ব্যয় ছিল ১১ লাখ ৭০ হাজার রুপির বেশি। চলতি বছর তা হবে প্রায় ১০ লাখ ৭০ হাজার রুপি। এতে খরচ কমছে এক লাখ রুপি।
এদিকে ইসলামাবাদ ইতোমধ্যেই ‘রোড টু মক্কা’ প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। এতে করাচিতেই সৌদি ইমিগ্রেশনের কাজ সম্পন্ন হবে। সরকার লাহোর বিমানবন্দরকেও একই সুবিধার আওতায় আনতে চাচ্ছে।
সৌদি সরকার বেসরকারি হজ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯০০ থেকে কমিয়ে ৪৬-এ করার প্রস্তাব করেছে।
সূত্র : ডন
