Thursday, July 16, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeকুরআন ও হাদীসপ্রতিদিন অতীব প্রয়োজনীয় একটি হাদিস জেনে নেই।

প্রতিদিন অতীব প্রয়োজনীয় একটি হাদিস জেনে নেই।

عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ قَالَ حِينَ يُصْبِحُ وَحِينَ يُمْسِي: سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ مِائَةَ مَرَّةٍ لَمْ يَأْتِ أَحَدٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِأَفْضَلَ مِمَّا جَاءَ بِهِ إِلَّا أَحَدٌ قَالَ مِثْلَ مَا قَالَ أَوْ زَادَ عَلَيْهِ)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় একশ’বার পড়বে ’সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবিহামদিহী’ (অর্থাৎ- আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করি তাঁর প্রশংসার সাথে)- কিয়ামতের দিন তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ বাক্য নিয়ে কেউ উপস্থিত হতে পারবে না, সে ব্যক্তি ব্যতীত যে এর সমপরিমাণ বা এর চেয়ে বেশি পড়বে। (বুখারী, মুসলিম)[1]

[1] সহীহ : মুসলিম ২৬৯২, তিরমিযী ৩৪৬৯, আহমাদ ৮৮৫৫, আল কালিমুত্ব ত্বইয়্যিব ১৭, সহীহ আত্ তারগীব ৬৫৩, সহীহ আল জামি‘ ৬৪২৫।

ব্যাখ্যা: (مَنْ قَالَ حِينَ يُصْبِحُ وَحِينَ يُمْسِىْ: سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِه مِائَةَ مَرَّةٍ) কারী বলেন, অর্থাৎ- সকাল সন্ধ্যায় যে ব্যক্তি এ তাসবীহ এর কতক সকালে এবং কতক সন্ধায় পাঠ করবে অথবা এগুলোর সবটুকু উভয় সময়ে পাঠ করবে আর এ অর্থটিই সর্বাধিক স্পষ্ট।

(إِلَّا أَحَدٌ قَالَ مِثْلَ مَا قَالَ أَوْ زَادَ عَلَيْهِ) লাম্‘আত গ্রন্থকার বলেন, অর্থ বর্ণনাতে কৌশল অবলম্বন করা আবশ্যক, অর্থাৎ- এভাবে বলা (তার মত এবং তার অপেক্ষা উত্তম ‘আমল কেউ করতে পারে না তবে যে ব্যক্তি তার মতো তাসবীহ পাঠ করবে সে তার মতো সাওয়াব লাভ করবে অথবা যে ব্যক্তি তার অপেক্ষা বেশি পাঠ করবে সে তার অপেক্ষা বেশি সাওয়াব লাভ করবে। আর আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।

ইমাম ত্বীবী বলেন, উল্লেখিত তাসবীহ পাঠকারী যে ‘আমল করবে তা সর্বোত্তম ‘আমল ঐ সকল ‘আমল অপেক্ষা যা তাসবীহ পাঠকারী ছাড়া অন্য কেউ করবে। তবে যে ব্যক্তি তাসবীহ পাঠকারীর মতো ‘আমল করবে বা তার অপেক্ষা বেশি ‘আমল করবে তার কথা আলাদা।

এখন কেউ যদি বলে বৃদ্ধি করা কিরূপে বৈধ অথচ বিদ্বানগণ বলেছে, সংখ্যার ক্ষেত্রে শারী‘আতের সীমারেখা অতিক্রম করা বৈধ না? উত্তরে আমরা বলবঃ যখন হাদীস বৃদ্ধি পাওয়ার ধরণটি সুস্পষ্টভাবে বিবৃত হল তখন জানা গেল যে, এটি সে পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত না যেমন সালাতের রাক্‘আত বা অনুরূপ কিছুর সংখ্যা। সুতরাং সংখ্যাতে একেবারেই বৃদ্ধি করা বৈধ হবে না বিষয়টি এমনটি নয়। অথবা হাদীসে বৃদ্ধি করা থেকে কল্যাণকর কাজে বৃদ্ধি করা উদ্দেশ্য। অনুরূপ লাম্‘আতে আছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

one × two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য