عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَبِيعُوا الذَّهَبَ بِالذَّهَبِ إِلَّا مِثْلًا بِمِثْلٍ وَلَا تُشِفُّوا بَعْضَهَا عَلَى بَعْضٍ وَلَا تَبِيعُوا الْوَرِقَ بِالْوَرِقِ إِلَّا مِثْلًا بِمِثْلٍ وَلَا تُشِفُّوا بَعْضَهَا عَلَى بَعْضٍ وَلَا تبِيعُوا مِنْهَا غَائِبا بناجز»
وَفِي رِوَايَةٍ: «لَا تَبِيعُوا الذَّهَبَ بِالذَّهَبِ وَلَا الْوَرق بالورق إِلَّا وزنا بِوَزْن»
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্বর্ণকে স্বর্ণের বিনিময়ে সমতা ছাড়া লেনদেন করবে না (যাতে তা ওযনে সমপরিমাণ না হয়), তাই উভয়ের মধ্যে কম-বেশি করবে না। ঠিক অনুরূপভাবে রূপাকে রূপার বিনিময়ে সমতা ছাড়া লেনদেন করো না (যদি তা সমপরিমাণ না হয়), তাই উভয়ের মধ্যে কম-বেশি করবে না। আর এ পণ্যদ্বয়ে বাকির বিনিময় নগদের সাথে করো না। (বুখারী, মুসলিম)[1]
আর এক বর্ণনায় আছে, স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ ও রূপার বিনিময়ে রূপা- উভয় পণ্যদ্বয়ে সমান ওযন ব্যতীত বিক্রি করো না।
[1] সহীহ : বুখারী ২১৭৭, মুসলিম ১৫৮৪, নাসায়ী ৪৫৭০, তিরমিযী ১২৪১, আহমাদ ১১০০৬, সহীহ আল জামি‘ ৭২১১।
ব্যাখ্যা: (وَلَا تُشِفُّوا بَعْضَهَا عَلٰى بَعْضٍ) ‘‘এক অংশের উপর অপর অংশ বেশী করিও না’’ অর্থাৎ সোনার বিনিময়ে সোনা ও রূপার বিনিময়ে রূপা বেচা-কেনাতে পরিমাণে কমবেশী করিও না। ‘আল্লামা ত্বীবী বলেনঃ সোনা বলতে সকল প্রকার সোনা উদ্দেশ্য। ‘আল্লামা কারী বলেনঃ শারহুস্ সুন্নাতে উল্লেখ আছে, অত্র হাদীস প্রমাণ করে যে, সোনার গহনা যদি সাধারণ সোনার বিনিময়ে বেচা-কেনা করা হয় তবুও ওযনে সমান সমান হতে হবে। গহনা বানাতে মজুরীর জন্য ওযনে কমবেশী করা বৈধ নয়।
(غَائِبًا بِنَاجِزٍ) ‘‘অনুপস্থিতিকে উপস্থিত বস্তুর সাথে বিনিময় করো না’’ অর্থাৎ দাতা ও গ্রহীতার উভয়ের সোনা বা রূপা উপস্থিত তথা নগদ হতে হবে। একপক্ষের দ্রব্য নগদ, অন্যপক্ষের দ্রব্য বাকী লেনদেন চলবে না। (শারহে মুসলিম ১১/১২ খন্ড, হাঃ ১৫৮৪; মিরকাতুল মাফাতীহ)
